• যোগাযোগ
রবিবার, নভেম্বর ১, ২০২৬
Analysis BD
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে
No Result
View All Result
Analysis BD
No Result
View All Result
Home বাংলাদেশ

জাবি’কে আবারো ধর্ষকদের অভয়ারণ্য বানিয়েছে ছাত্রলীগ

ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৪
in বাংলাদেশ, বিশেষ অ্যানালাইসিস
জাবি’কে আবারো ধর্ষকদের অভয়ারণ্য বানিয়েছে ছাত্রলীগ
Share on FacebookShare on Twitter

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ক্ষণে ক্ষণেই ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া যায়। ভিকটিমরা লোক লজ্জার ভয়ে অভিযোগ করতে চান না বিধায় ঘটনাগুলো প্রকাশ্যে আসে না। অনেকে মৌখিক অভিযোগ করলেও ক্ষমতাসীন ধর্ষকদের ভয়ে লিখিত অভিযোগ করতে পারেন না।

জাবি’র শুধু ছাত্রলীগ নেতারাই নয়, আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের অনেকেই সরাসরি ধর্ষণের সাথে যুক্ত। অনেকে চাকুরি দেওয়ার নাম করে, কেউ কেউ পরীক্ষায় ভালো মার্কস দেওয়ার নামে, কেউ ফেল করিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে যাচ্ছে। এগুলো নিয়ে প্রশাসন নির্বিকার। তারা ভিকটিমদের সাপোর্ট দেওয়া তো দূরের কথা উলটো তাদের সম্মানহানী করছে।

এর মধ্যে গতকাল ৩ ফেব্রুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক দম্পতিকে ডেকে এনে স্বামীকে আবাসিক হলে আটকে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ নেতাসহ দুজনের বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলসংলগ্ন জঙ্গলে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ও বহিরাগত যুবক মামুন । মোস্তাফিজ মীর মশাররফ হোসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আন্তর্জাতিক–বিষয়ক সম্পাদক। তিনি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আকতারুজ্জামান সোহেলের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। ঘটনার পর থেকে মোস্তাফিজ ও মামুন পলাতক।

সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুর রাসিক বলেন, ‘ভুক্তভোগী থানায় উপস্থিত হয়ে ঘটনাটি জানিয়েছেন। আমরা প্রাথমিক তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর মীর মশাররফ হোসেন হলের সামনে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অবস্থান করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় তাঁরা ‘ক্যাম্পাসে ধর্ষক কেন, প্রশাসন জবাব চাই’; ‘ধর্ষণমুক্ত ক্যাম্পাস চাই’; ‘ধর্ষকদের পাহারাদার, হুঁশিয়ার সাবধান’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

ভুক্তভোগী ওই নারী জানান, তাঁদের বাড়ি আশুলিয়ার জিরানী এলাকায়। তাঁদের বাসায় ভাড়া থাকতেন অভিযুক্ত মামুন। মোস্তাফিজের সঙ্গে মামুনের পূর্বপরিচয় ছিল। মাঝেমধ্যে মামুন মীর মশাররফ হোসেন হলে মোস্তাফিজের কাছে থাকতেন।

গতকাল সন্ধ্যায় ভুক্তভোগীর স্বামীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরতে নিয়ে আসেন মামুন। তাঁর স্বামী অভিযুক্ত মামুনকে জানান, তাঁরা কিছু আসবাবপত্র কিনবেন। তখন মামুন তাঁকে বলেন, এক আসবাবপত্র দোকানে তাঁর টাকা পাওনা আছে, কিন্তু দোকানদার টাকা ফেরত দিচ্ছেন না। ওই দোকান থেকে আসবাবপত্র কিনে টাকাটা যাতে মামুনকে দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী আরও বলেন, তাঁকে নিয়ে দোকানে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর স্বামীর। তাই ফোন করে তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে বলেন এবং আসার সময় বাসা থেকে মামুনের জন্য কিছু জামা-কাপড় নিয়ে আসতে বলে তাঁর স্বামী। কারণ, মামুন কয়েক দিন ক্যাম্পাসে মোস্তাফিজের কাছে থাকবেন।

এরপর মোস্তাফিজ ও মামুন মিলে ভুক্তভোগীর স্বামীকে মীর মশাররফ হোসেন হলের ‘এ’ ব্লকের ৩১৭ নম্বর কক্ষে আটকে রাখেন। পরে জামা-কাপড় নিয়ে ওই নারী ক্যাম্পাসে এলে তাঁর কাছ থেকে সেগুলো নিয়ে কক্ষে রেখে আসতে যান মামুন।

এরপর মামুন কক্ষ থেকে ফিরে এসে ওই নারীকে বলেন, তাঁর স্বামী হলের অন্য ফটক (জঙ্গলের দিক) দিয়ে আসবেন, সেদিকে যেতে। পরে তাঁকে হলসংলগ্ন জঙ্গলে নিয়ে মোস্তাফিজ ও মামুন ধর্ষণ করেন বলে ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাব্বির আলম বলেন, ‘ঘটনাটা শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তাঁরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা করছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আকতারুজ্জামান সোহেল বলেন, ‘উত্থাপিত অভিযোগের ভিত্তিতে মোস্তাফিজকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রে সুপারিশ করা হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে যাঁরাই জড়িত থাকুক, আমরা রাষ্ট্রীয় আইনে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে তাঁদের শাস্তির ব্যবস্থা করব।’

উল্লেখ্য এই বিশ্ববিদ্যালয়েই ১৯৯৯ সালে ছাত্রলীগ নেতা মানিক শুধু সিরিয়াল ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হয় নি। ধর্ষণের সেঞ্চুরিও উদযাপন করেছে। এই ঘটনায় মানিক শাস্তি পাওয়া তো দূরের কথা শেখ হাসিনা তাকে বিচারের মুখোমুখিই করতে দেয়নি। শেখ হাসিনা বরাবরই ছাত্রলীগের নেতাদের ধর্ষক বানাতে আগ্রহী। তার প্রশ্রয়েই সারা দেশে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা ধর্ষণ করে বেড়াচ্ছে।

সম্পর্কিত সংবাদ

slide

বেলায়াত-এ-ফকিহ: অর্ধশতাব্দি ধরে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকার মূল শক্তি

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
Home Post

বাংলাদেশে নয়া ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি ও ইতালীয় দার্শনিকের বয়ান

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
Home Post

অনলাইন শ্রেণি কার্যক্রম: আবারও ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে শিক্ষা খাত

এপ্রিল ৯, ২০২৬

Discussion about this post

জনপ্রিয় সংবাদ

  • Trademark Web based poker Crazy Expensive diamonds Gambling enterprise Video slot Genuine Imitation Financial

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • পাহাড়ে পরিকল্পিতভাবে বাঙালি উচ্ছেদ ও ডি ইসলামাইজেশন করা হচ্ছে

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ২৮ অক্টোবর: যেদিন পল্টনে আল্লাহর সাহায্য দেখেছিলাম

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • সেঞ্চুরিয়ান মানিক ও জাবির সেই সময়ের ঘটনা প্রবাহ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • গণতন্ত্রের গোলকধাঁধা

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সাম্প্রতিক সংবাদ

নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

আগস্ট ২৫, ২০২৬

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

মে ৪, ২০২৬

শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

মে ২, ২০২৬

হরমুজ প্রণালি কীভাবে ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রে পরিণত হয়েছে

এপ্রিল ২০, ২০২৬

বেলায়াত-এ-ফকিহ: অর্ধশতাব্দি ধরে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকার মূল শক্তি

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
  • Privacy Policy

© Analysis BD

No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে

© Analysis BD