রবিবার, এপ্রিল ৫, ২০২৬
Analysis BD
No Result
View All Result
No Result
View All Result
Analysis BD
No Result
View All Result
Home slide

কেমন ছিলেন বর্ষীয়ান জামায়াত নেতা আব্দুস সোবহান?

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২০
in slide, Top Post, বিশেষ অ্যানালাইসিস
Share on FacebookShare on Twitter

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

না ফেরার দেশে চলে গেছেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমির ও প্রভাবশালী নেতা মাওলানা আব্দুস সোবহান। শুক্রবার দুপরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বর্ষীয়ান এ নেতা। দীর্ঘ ৭ বছর যাবত কারাগারে বন্দী থাকার পর ৯০ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়। এই বর্ষীয়ান নেতার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির।

কথিত যুদ্ধাপরাধের মামলায় ২০১৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। এরপর তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লেও তাকে কোন উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করিনি ক্ষমতাসীন সরকার।

এর আগে ২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সকালে টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব প্রান্ত থেকে মাওলানা সোবহানকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ওই রাতেই তাকে পাবনা কারাগারে নেয়া হয়। ২৬ সেপ্টেম্বর পাবনা কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানাস্তর করা হয় তাকে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। ৩০ সেপ্টেম্বর প্রসিকিউশনের আবেদন আমলে নিয়ে মাওলানা সোবহানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

কে এই আব্দুস সোবহান?

দুনিয়ার নানা স্বার্থ নিয়ে পরিচালিত কর্মকান্ডের নেতৃত্ব দেয়ার উপযোগী লোকের অভাব সমাজে নেই। কিন্তু সততা ও যোগ্যতার সাথে নেতৃত্ব দেয়ার মতো লোকের অভাব আছে নিঃসন্দেহে। সমাজ পরিচালনার উপযোগী অন্য সব যোগ্যতার পাশাপাশি যখন একজন মানুষের মধ্যে দ্বীনি জ্ঞান, খোদাভীতি, জনদরদী মন ও মানবতাবোধের সংমিশ্রণ ঘটে তখন তিনি একজন প্রকৃত মানুষ এবং উত্তম নেতা হতে পারেন। মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুস সোবহান এমনই একজন ব্যক্তিত্ব হিসেবে পাবনার সর্বস্তরের মানুষের কাছে পরিচিত। তিনি পাবনাবাসীর সুখে-দুঃখে, সুদিনে-দুর্দিনে সব সময় সাথে ছিলেন। তিনি শুধু পাবনারই নেতা ছিলেন না তিনি একজন প্রবীন জাতীয় নেতা  হিসেবে পরিচিত ছিলেন। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে তিনি বরাবরই উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে আসছিলেন এই নেতা।

শুধু তাই নয় তিনি পাবনা সদর থেকে ৫ বার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৬২ এবং ১৯৬৫ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং তার পরবর্তী মেয়াদে বিরোধী দলের সিনিয়র উপ-নেতার ভূমিকা পালন করেন। এরপর ১৯৯১ সালে পাবনা -৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ওই সংসদে তিনি জামায়াতের সংসদীয় দলের উপ-নেতা ছিলেন। ২০০১ সালে তিনি আবার পাবনা -৫ আসন থেকে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তার নির্বাচনী এলাকায় ৫৬.৭৮% ভোট পেয়ে বিজয়ী হন এই বর্ষীয়ান জামায়াত নেতা।

জন্ম শৈশবঃ
মাওলানা আব্দুস সোবহান ১৯২৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাবনা জেলার সুজানগর থানাধীন মোমিনপাড়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তাঁর পিতা মরহুম মুন্সী নঈমউদ্দীন আহমদ একজন দ্বীনদার ও পরহেজগার আলেম ছিলেন। মাওলানা আব্দুস সোবহান ১৯৬৫ সাল থেকে পাবনা শহরের গোপালপুরে (পাথরতলা) স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। বর্তমানে তিনি পরিবার পরিজন নিয়ে সেখানেই থাকছেন।

শিক্ষাজীবনঃ

তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু হয় রামচন্দ্রপুর মক্তবে। পরে তিনি মানিকহাট ও মাছপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেন। ১৯৪১ সালে তিনি উলট মাদ্রাসায় ভর্তি হন এবং প্রায় সাত বছর এ মাদ্রাসায় পড়াশুনা করে ১৯৪৭ সালে জুনিয়র পাস করেন। তিনি শিবপুর মাদ্রাসা থেকে ১৯৫০ সালে আলিম পাস করেন। তিনি সিরাজগঞ্জ আলীয় মাদ্রাসা থেকে ১৯৫২ সালে ফাজিল ও ১৯৫৪ সালে কামিল পাশ করেন। মাওলানা আব্দুস সোবহান অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন। তিনি জুনিয়র (মেট্রিকুলেশন সমমান), আলিম ও ফাজিল পরীক্ষায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। কামিল পরীক্ষায় মাদ্রাসা বোর্ড থেকে হাদীস গ্রুপে প্রথম শ্রেণীতে সপ্তম স্থান অধিকার করেন।

শিক্ষকতাঃ

মাদ্রাসা বোর্ড থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি ১৯৫২ সালে হেড মাওলানা হিসেবে পাবনা আলীয়া মাদ্রাসায় যোগদান করেন। অতপর তিনি গোপালচন্দ্র ইনস্টিটিউট, আরিফপুর উলট সিনিয়র মাদ্রাসায় সুপারিনটেনডেন্ট ও মাগুরার বড়রিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। তিনি ১৯৫২ থেকে ১৯৬২ পর্যন্ত দীর্ঘ ১০ বছর সুনামের সাথে শিক্ষকতার মহান দায়িত্ব পালন করেন।

আরও পড়ুন: এই হাতকড়া শেখ হাসিনার অপেক্ষায়!

রাজনৈতিক জীবনঃ

মাওলানা আব্দুস সোবহান ছাত্রজীবন থেকেই সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন। তিনি পূর্ব পাকিস্তান জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার পাবনা জেলার সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫১ সালে তিনি জামায়াতের ইসলামীতে যোগদান করেন এবং পর্যায়ক্রমে বহু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দীর্ঘদিন পাবনা জেলা আমীরের দায়িত্ব পালন করেন। পরে কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৬২ সালে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৬৫ সালে তিনি পুনরায় প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে বিরোধী দলের সিনিয়র ডেপুটি লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাবনার গনমানুষের প্রাণপ্রিয় নেতা মাওলানা আব্দুস সোবহান ২০০১-২০০৬ মেয়াদে সরকারী প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। বর্তমানে তিনি জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের নায়েবে আমীর এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা, কর্মপরিষদ ও নির্বাহী পরিষদ সদস্য। তিনি ১৯৯১ সালে বিপুল ভোটে পাবনা সদর আসনের এমপি নির্বাচিত হন তিনি প্রথম সর্বোচ্চ ভোটে জয় লাভ করেন এবং সংসদে জামায়াতে ইসলামীর উপনেতা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পুনরায় ২০০১ সালে চারদলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী হিসেবে ১ লাখ ৪২ হাজার ৮৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পান ১ লাখ ৩ হাজার ৪৯৯ ভোট যাহা স্বাধীন বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত তিনি প্রথম সর্বৌচ্চ সংখ্যাক ভোটে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করেন ।

পারিবারিক জীবনঃ

ছোট-বড় সকলের সাথে সদালাপী ও অমায়িক ব্যবহারের এক অনন্য বৈশিষ্টের অধিকারী জননেতা মাওলানা আব্দুস সোবহান পাঁচ ছেলে ও ছয় মেয়ের পিতা। সমাজসেবায় মাওলানা আব্দুস সোবহানঃ- ছাত্রজীবন থেকেই মাওলানা আব্দুস সোবহান সমাজকল্যাণমূলক কাজে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষা জীবন শেষে ১৯৫৬ সালে তিনি ‘আঞ্জুমানে রফিকুল মুসলেমিন’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নির্বাচিত হন। জ্ঞান চর্চা ও শিক্ষা বিস্তারে মাওলানা আব্দুস সোবহান সদা কর্মতৎপর একজন ব্যক্তি। কর্মজীবনের শুরু থেকেই তাঁর এই তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়। ১৯৬৮ সালে তিনি জালালপুর জুনিয়র হাই স্কুল ও বিবেকানন্দ বিদ্যাপীঠ নামের প্রতিষ্ঠান দুটি স্থাপন করেন। তিনি উভয় স্কুলে প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন। এ ছাড়াও পাবনা আলীয়া মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সদস্য, পাবনা শহরের গোপালচন্দ ইনস্টিটিউটের ম্যনেজিং কমিটি, রাধানগর মজুমদার একাডেমী, পাবনা মহিলা কলেজ, পাবনা ইসলামিয়া কলেজ (বুলবুল কলেজ) এবং ঈশ্বরদী সরকারী কলেজ কমিটিরও তিনি সদস্য ছিলেন। মাওলানা আব্দুস সোবহানের আরো একটি বড় অবদান হচ্ছে পাবনা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল। ১৯৬৭ সালে পাবনার জালালপুরে তিনি এ স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে ওই স্কুলটি পাবনা ক্যাডেট কলেজে উন্নীত হয়েছে। পুষ্পপাড়া আলীয়া মাদ্রাসার সেক্রেটারি থাকাকালে মাদ্রাসাটিকে তিনি কামিল পর্যায়ে উন্নীত করেন। ১৯৬৫ সালে পাবনার ঐতিহাসিক চাঁপা সমজিদের মুতাওয়াল্লী নির্বাচিত হয়ে তিনি মসজিদের সংস্কার এ সম্প্রসারণের কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সুজানগর থানায় মমিনপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি তিনিই প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে তিনি পাবনা দারুল আমান ট্রাস্টের চেয়ারম্যান। এই ট্রাস্ট কর্তৃক পরিচালিত পাবনা ইসলামিয়া মাদরাসা, ইয়াতিমখানা, ইসলামিয়া কলেজ, ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার, হেফজখানা, মসজিদ প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানেরও তিনি সভাপতি। ইমাম গাজ্জালী ট্রাস্ট, ইমাম গাজ্জালী গার্লস স্কুল ও কলেজ, কিন্ডারগার্ডেন স্কুল, কমরপুর পদ্মা কলেজ, দুলাই আল-কুরআন ট্রাস্টেরও তিনি চেয়ারম্যান। তিনি পাবনা সদর গোরস্থান কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি একসময় পাবনা হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সহসভাপতি ছিলেন।

পাবনা ক্যালিকো কটন মিল তাঁর প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এ সব প্রতিষ্ঠান ছাড়াও তিনি বহু মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং আর্থিক সহযোগীতা দিয়েছেন। তিনি এলাকার রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়নের কাজ করেছেন। পাবনা ক্যাডেট কলেজ হতে গয়েশপুরের রাস্তা, কালিদহ হতে ভাঁড়ারা রাস্তা, কুচিয়ামোড়ার তেমাথা হতে সাদুল্লাপুর রাস্তা, ৮ মাইল হয়ে টিকরী-দাপুনিয়া রাস্তা তাঁর কর্মতৎপরতার স্বাক্ষর বহন করে। মাওলানা আব্দুস সোবহান পুরাতন পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে কোমরপুর পদ্মা নদীর তীর পর্যন্ত রাস্তা পাকা করেছেন, যা পাবনার চর এলাকার মানুষের কাছে একসময় ছিল কল্পনাতীত।

বাংলাদেশ চাষিকল্যাণ সমিতি ও বাংলাদেশ তাঁতি কল্যাণ সমিতির তিনি বর্তমান সহ সভাপতি। তিনি দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার পরিচালনা কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন। তিনি পাবনা মহিলা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা। মাওলানা আব্দুস সোবহান ঢাকাস্থ পাবনা সমিতির আজীবন সদস্য, ইত্তেহাদুল উম্মাহর প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন। তিনি মুসলিম এইড লন্ডন এর বাংলাদেশ শাখার চেয়ারম্যান ছিলেন এবং ইসলামিক ‘ল’ রিসার্চ সেন্টার এবং লিগ্যাল এইড বাংলাদেশ-এরও চেয়ারম্যন ছিলেন। তিনি জাতীয় শরীয়াহ কাউন্সিলের সদস্য এবং আল আমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, ত্রৈমাসিক গবেষণা পত্রিকা ইসলামী আইন ও প্রচার পত্রিকার তিনি উপদেষ্টা সম্পাদক।

লেখক, বহুভাষাবিদ ও সংস্কৃতিসেবী মাওলানা আব্দুস সোবহানঃ

একজন সুলেখক হিসেবেও মাওলানা আব্দুস সোবহানের পরিচিতি রয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তিনি চিন্তাশীল প্রবন্ধ-নিবন্ধ লিখেছেন। একসময় তিনি সাংবাদিকতার সাথেও জড়িত ছিলেন। মাওলানা আব্দুস সোবহান বাংলা ছাড়াও আরবী, উর্দু, ফার্সি, ইংরেজি সহ বেশ কয়েকটি ভাষা জানেন। একজন সংস্কৃতিপ্রেমী ও সংস্কৃতিসেবী হিসেবেও মাওলানা আব্দুস সোবহানের সুনাম রয়েছে। ছাত্রজীবনে তিনি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে সক্রিয় ছিলেন। গান ও বক্তৃতা প্রতিযোগীতায় পুরষ্কারও পেয়েছেন বহুবার।

বিদেশ সফরঃ

একজন জাতীয় নেতা এবং বাংলাদেশের ইসলামী আন্দোলনের প্রথম কাতারের নেতা হিসেবে জাতীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনে এবং ইসলামের দাওয়াত ও রাষ্ট্রীয় কাজে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ সফর করেছেন মাওলানা আব্দুস সোবহান। তিনি এ পর্যন্ত ৮ বার পবিত্র হজব্রত পালন করেছেন।

তাঁর কয়েকটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণ নিম্নরূপঃ

১. বিশ্ব পার্লামেন্ট এসোসিয়েশনে প্রতিনিধি হিসেবে চীন সফর করেন।

২. আঞ্চলিক পার্লামেন্টের সদস্য হিসেবে শ্রীলঙ্কা সফর করেন।

৩. স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়া গমন করেন।

৪. সরকারী প্রতিশ্রুতি কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে লন্ডনের হাউস-অব-কমন্স ও হাউস-অব-লর্ডস –এ যোগদান।

৫. মুসলিম এইডের চেয়ারম্যান হিসেবে মালয়েশিয়া, অষ্ট্রেলিয়া ও জাপান সফর করেন।

৬. পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত রাবেতার সম্মেলনে যোগদান।

৭. নয়াদিল্লীতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব হজ্ব সম্মেলনে যোগদান।

৮. বসনিয়ার মুসলিম হত্যার প্রতিবাদে ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন পর্লামেন্টে যোগদান উপলক্ষে ব্রাসেলস গমন এবং ভাষণ দান।

৯. ১৯৭৩ সালে লিবিয়ার বেনগাজীতে অনুষ্ঠিত ওআইসি সম্মেলনে যোগদান করেন।

১০. স্পিকার ডেলিগেসনে জার্মানিতে যান। এছাড়াও তিনি ইসলামী দাওয়াত ও রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে চারবার যুক্তরাজ্য, দু’বার যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স, সৌদীআরব, ইরাক, আরব আমীরাত, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, লেবানন, লিবিয়া, হংকং, সিংগাপুর, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, পাকিস্তান, নেপাল, ভারত সফর করেছেন।

মাওলানা আব্দুস সোবহান একজন অনন্য ব্যক্তিত্ব, একটি প্রতিষ্ঠান, একটি ইতিহাস। ১৯৬২ সাল থেকে এ জনপদের জনগণ তাঁর কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে বারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন, যা পাবনার অন্য কোন নেতার ক্ষেত্রে হয়নি। তাঁর জীবনের মিশনই হচ্ছে জনকল্যানমূলক কাজ; শিক্ষা, সেবা ও বৃত্তিমূলক কাজের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে এলাকার জনসাধারনকে শিক্ষিত করে তোলা এবং বেকারত্ব দূর করা। একাজ করার মাধ্যমে তিনি যেমন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিচিতি লাভ করেছেন, তেমনি পাবনার জনগনের মনজয় করেছেন।

সম্পর্কিত সংবাদ

Home Post

ইরান যুদ্ধ ও নো-কিংস আন্দোলন : বিভক্ত যুক্তরাষ্ট্র

এপ্রিল ৫, ২০২৬
Home Post

জেন-জি বিপ্লব: নেপাল ও বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থান থেকে নতুন রাজনৈতিক যাত্রা

মার্চ ২৮, ২০২৬
Home Post

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা কে এই মুজতবা খামেনী?

মার্চ ১০, ২০২৬

জনপ্রিয় সংবাদ

  • জেন-জি বিপ্লব: নেপাল ও বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থান থেকে নতুন রাজনৈতিক যাত্রা

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • সাঈদীর রায় পরবর্তী গণহত্যা ও নিরবতায় অপরাধের মৌন সম্মতি উৎপাদন

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে অস্থিতিশীল হবে বৈশ্বিক অর্থনীতি

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • বদর যুদ্ধের অর্থনৈতিক ও পারিপার্শিক বিশ্লেষণ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ধর্মীয় কারণে নয়, মুসলিম বিদ্ধেষ থেকেই গো রক্ষার জিগির

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সাম্প্রতিক সংবাদ

ইরান যুদ্ধ ও নো-কিংস আন্দোলন : বিভক্ত যুক্তরাষ্ট্র

এপ্রিল ৫, ২০২৬

জেন-জি বিপ্লব: নেপাল ও বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থান থেকে নতুন রাজনৈতিক যাত্রা

মার্চ ২৮, ২০২৬

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা কে এই মুজতবা খামেনী?

মার্চ ১০, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ দীর্ঘ হলে যে সকল সংকটে পড়বে বাংলাদেশ

মার্চ ৯, ২০২৬

বদর যুদ্ধের অর্থনৈতিক ও পারিপার্শিক বিশ্লেষণ

মার্চ ৭, ২০২৬

© Analysis BD

No Result
View All Result

© Analysis BD