রবিবার, মার্চ ১৫, ২০২৬
Analysis BD
No Result
View All Result
No Result
View All Result
Analysis BD
No Result
View All Result
Home Home Post

রাজধানী জুড়ে সুনশান নিরবতা, চলছে গণগ্রেফতার

জানুয়ারি ৩১, ২০২০
in Home Post, slide, জাতীয়
Share on FacebookShare on Twitter

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

রাত পহালেই ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ভোট। এই নির্বাচনে রাজধানী জুড়ে মোতায়ন করা হয়েছে প্রায় ৪০ হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আর ক্ষমতাসীনদের নির্দেশে এরই মধ্যে চলছে গণগ্রেফতার। বিভিন্ন বাসা বাড়িতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানিও করছে পুলিশ। সব মিলিয়ে ব্যস্ত নগরী ঢাকা জুড়ে যেন সুনশান নিরবতা।

সূত্র বলছে, গত তিন দিনে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষদেরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যদিও পুলিশ দাবি করছে, ঢাকার প্রবেশপথ, বস্তি, আবাসিক হোটেল ও মেসগুলোতে অভিযান চলবে। ঢাকার ভোটার নন বা রাজধানীতে অবস্থানের যৌক্তিক কারণ নেই, এমন কাউকে পেলে গ্রেফতার করা হবে।

কিন্তু গণমাধ্যমের প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে ১৪৫ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় তিন শতাধিক বিরোধী দলের নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এছাড়াও আজ শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদে মসজিদে গিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সূত্রে জানা যায়, জুমার নামাজ শেষে মুসল্লিরা বের হলে তাদের দেহ তল্লাশি করে তারা। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, জুমার নামাজ শেষ করে বের হওয়ার পর এক ছাত্রকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। এরপর ছেলেটির বাসায় গিয়ে তল্লাশিও চালায় তারা। এরপর ছেলেটিকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এদিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি বহিরাগতদের এনে ঢাকায় জড়ো করছে। এদের মধ্যে চিহ্নিত সন্ত্রাসী, দাগি সন্ত্রাসীরাও রয়েছে। তার জবাবও দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, বিএনপি নয়, বাইরে থেকে লোক এনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে আওয়ামী লীগ। কারণ, আওয়ামী লীগ যা করে, তা আগে থেকে ঘোষণা দিয়ে করে। তিনি বলেন, যেসব কেন্দ্রে বিএনপির ভোট বেশি, সেসব কেন্দ্র বহিরাগতদের দিয়ে দখল করার চেষ্টা করা হতে পারে। আর যেসব কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের ভোট বেশি, সেসব কেন্দ্রে সাধারণ ভোটারদের ঠেকাতে কৃত্রিম লাইন তৈরি করা হবে। পুলিশের অভিযানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বহিরাগতদের ধরার নামে যেন বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা না হয়।

একই ধরনের মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তরে বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আউয়াল। তিনি বলেন, ‘অতীতে এ ধরনের অভিযানে বিএনপির নেতা-কর্মীদেরই লক্ষ্য করা হয়েছে। এবারও সে রকম আশঙ্কা করছি। এমন অভিযান শুধু অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে হওয়া উচিত, কোনো দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে নয়।’

বন্ধ হয়ে গেছে নির্বাচনী প্রচারাভিযান। তবুও আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন আ.লীগ কাউন্সিলর প্রার্থীরা। শুক্রবার জুমার নামাজের পর প্রচারণা চালিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ১৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাবুল। এ সময় বিএনপি মেয়র প্রর্থী ইশরাকের পোস্টার ছিড়ে ফেলে তারা। এছাড়া গতকালও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত মেয়র পদপ্রার্থী আতিকুল ইসলামের সমাবেশে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। ঢাকা উত্তরের ২০ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী মো. নাসির ও দলটির বিদ্রোহী প্রার্থী মো. জাহিদুর রহমানের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের ধারণা, এমন ছোটখাটো সহিংস ঘটনার সূত্র ধরে বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। এ জন্য তারা সতর্ক রয়েছে।

অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে যে অবস্থা বিরাজমান ছিল অর্থাৎ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক নেতা-কর্মীদের হয়রানি, মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দায়ের, বিএনপি নেতা-কর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তাদের ঘুম কেড়ে নেয়ার নীতি- সেটা এবার সিটি নির্বাচনেও তারা অব্যাহত রেখেছে। নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আওয়ামী লীগকে জেতাতে ততটাই মরিয়া হয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ঢাকা শহরে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বেড়ে গেছে। বরাবর নির্বাচনের পূর্বে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয় এবং বৈধ অস্ত্র জমা নেয়া হয়। এবারে ঢাকা সিটি নির্বাচনে সেই উদ্যোগ নেয়া হয়নি। গত রোববার গোপীবাগে ধানের শীষের প্রার্থী ইশরাক হোসেনের প্রচারণায় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের সশস্ত্র হামলার ঘটনার পর উল্টো বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বানোয়াট মামলা দায়ের করার পর এ পর্যন্ত ১০-১২ জনকে গ্রেফতার করে এখন রিমান্ডের নামে চলছে অকথ্য নির্যাতন। ৫০ জন বিএনপি নেতাকর্মীকে আসামিসহ শতাধিক অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এই অজ্ঞাতনামা আসামি করার মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে গণগ্রেফতার চালিয়ে এলাকাকে বিএনপি নেতাকর্মী ও ভোটারশূন্য করা।

সম্পর্কিত সংবাদ

Home Post

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা কে এই মুজতবা খামেনী?

মার্চ ১০, ২০২৬
Home Post

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ দীর্ঘ হলে যে সকল সংকটে পড়বে বাংলাদেশ

মার্চ ৯, ২০২৬
Home Post

বদর যুদ্ধের অর্থনৈতিক ও পারিপার্শিক বিশ্লেষণ

মার্চ ৭, ২০২৬

জনপ্রিয় সংবাদ

  • ভোটের মাঠে জামায়াতের ঐতিহাসিক উত্থান: নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে অস্থিতিশীল হবে বৈশ্বিক অর্থনীতি

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • আওয়ামী সন্ত্রাসের নবউত্থানে বিএনপির আশকারা দেশের জন্য অশনিসংকেত

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • একনজরে বদর যুদ্ধের ঘটনাবলি

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • রক্তাক্ত ২৮ অক্টোবর: ১৫ বছর পরেও বেপরওয়া খুনিরা, সুবিচার পায়নি শহীদ পরিবার

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সাম্প্রতিক সংবাদ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা কে এই মুজতবা খামেনী?

মার্চ ১০, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ দীর্ঘ হলে যে সকল সংকটে পড়বে বাংলাদেশ

মার্চ ৯, ২০২৬

বদর যুদ্ধের অর্থনৈতিক ও পারিপার্শিক বিশ্লেষণ

মার্চ ৭, ২০২৬

সাঈদীর রায় পরবর্তী গণহত্যা ও নিরবতায় অপরাধের মৌন সম্মতি উৎপাদন

মার্চ ৭, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে অস্থিতিশীল হবে বৈশ্বিক অর্থনীতি

মার্চ ২, ২০২৬

© Analysis BD

No Result
View All Result

© Analysis BD