মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৪, ২০২৬
Analysis BD
No Result
View All Result
No Result
View All Result
Analysis BD
No Result
View All Result
Home Home Post

বাঙালি মুসলমানের পহেলা বৈশাখ; শেকড়ের সন্ধানে, পরিচয়ের উদ্‌যাপনে

এপ্রিল ১৩, ২০২৬
in Home Post, slide, জাতীয়, মতামত
Share on FacebookShare on Twitter

বাঙালি হওয়া আর মুসলিম হওয়া এ দুটো পরিচয় কি আসলেই পরস্পরবিরোধী? প্রতিবছর পহেলা বৈশাখ এলে এই প্রশ্নটি নতুন করে জেগে ওঠে। একদিকে থাকেন তাঁরা, যাঁরা বলেন, ‘এটি হিন্দুয়ানি উৎসব, মুসলমানের পালন করা উচিত নয়।’ অন্য দিকে থাকেন তাঁরা যাঁরা পহেলা বৈশাখকে একটি নির্দিষ্ট সেক্যুলার-বাম রাজনৈতিক ছাঁচে ঢেলে উপস্থাপন করেন, যেখানে বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের কোনো প্রতিফলন নেই।

এই দুই চরমের মাঝখানে হারিয়ে যাচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সত্য। পহেলা বৈশাখ আসলে বাঙালি মুসলমানেরই উৎসব। এর জন্ম হয়েছিল একজন মুঘল সম্রাটের নির্দেশে এবং একজন মুসলিম পণ্ডিত ফতেহউল্লাহ উল্লাহ সিরাজীর হাতে ধরে এবং এর প্রথম উদ্‌যাপন করেছিলেন এই ভূমির কৃষক-প্রজারা, যাঁদের বেশিরভাগই ছিলেন মুসলিম।

পহেলা বৈশাখের উৎপত্তি ও মুঘল উত্তরাধিকার:
পহেলা বৈশাখের ইতিহাস খুঁজতে গেলে আমাদের ফিরে যেতে হয় সেই ষোড়শ শতাব্দীতে, যখন মুঘল সম্রাট আকবর ভারতবর্ষ শাসন করছিলেন। তাঁর শাসনকালে একটা বড় প্রশাসনিক সমস্যা দেখা দেয়। সমস্যাটি ছিল চন্দ্রনির্ভর হিজরি বর্ষপঞ্জিকে ঘিরে। হিজরি সন অনুযায়ী রাজস্ব আদায়ের নির্ধারিত তারিখ প্রতি বছর ঘুরে আসত, কখনো গ্রীষ্মে, কখনো বর্ষায়, কখনো শীতে। ফলে ফসল ওঠার মৌসুমের সাথে খাজনার তারিখের কোনো মিল থাকত না। কৃষকরা বিপদে পড়তেন, রাজকোশে অর্থ আসত অনিয়মিতভাবে।
এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে, সম্রাট আকবর তাঁর প্রখ্যাত দরবারের জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও পণ্ডিত ফতেহউল্লাহ সিরাজীকে দায়িত্ব দেন একটি নতুন বর্ষপঞ্জিকা প্রণয়ন করতে। ফতেহউল্লাহ সিরাজী নিজেও একজন মুসলিম, হিজরি সনকে ভিত্তি ধরে সৌর বর্ষের গণনা পদ্ধতির সাথে সমন্বয় করে তৈরি করলেন ‘তারিখ-ই-এলাহী’, যা পরবর্তীতে ‘বাংলা সন’ নামে পরিচিত হয়।

১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দের মার্চ মাসে এই পঞ্জিকা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়, তবে কার্যকর করা হয় সম্রাট আকবরের সিংহাসনে আরোহণের দিন ৫ নভেম্বর ১৫৫৬ থেকে, ঠিক যেভাবে হজরত ওমর (রা.) হিজরি সনের গণনা শুরু করেছিলেন মহানবী (সা.)-এর হিজরতের ঐতিহাসিক দিন থেকে। বাংলা সনের প্রথম দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ ছিল ‘পুণ্যাহ’ অনুষ্ঠানের দিন। জমিদার ও প্রজাদের মধ্যে সম্পর্ক নবায়নের দিন। কৃষক নতুন বছরের খাজনার হিসাব চুকিয়ে ‘হালখাতা’ খুলতেন, ব্যবসায়ীরা নতুন হিসাবের খাতা শুরু করতেন। এই উৎসব ছিল পুরোপুরি অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কোনো ধর্মীয় আচার-আচরণের বিষয় ছিল না।

বাঙালি মুসলিম সংস্কৃতির সাথে পহেলা বৈশাখের অবিচ্ছেদ্য বন্ধন:
পুরান ঢাকার ইতিহাস একটু মনোযোগ দিয়ে পড়লেই বোঝা যায়, পহেলা বৈশাখের সাথে মুসলিম জীবনের সম্পর্ক কতটা গভীর। মুঘল আমলে ঢাকা ছিল বাংলার রাজধানী। এখানকার মাহিফরাশ মহল্লার মুসলিম ব্যবসায়ী ও কারিগর সম্প্রদায় পহেলা বৈশাখে হালখাতার আয়োজন করতেন। দোকান সাজাতেন। মিষ্টি বিতরণ করতেন। নতুন পোশাক পরতেন। বাংলার গ্রামাঞ্চলেও ছবিটা ছিল অভিন্ন। মুসলিম কৃষক পরিবারে পহেলা বৈশাখ মানে ছিল নতুন ফসলের আনন্দ। ঈদের মতোই ভালো ভালো খাবার রান্না করা। পরিবারের সবাইকে নিয়ে একসাথে বসে খাওয়া। প্রতিবেশীদের সাথে ভাগ করে নেওয়া। বাউল ও লোকসংগীতের আসর। এতে কোনো ‘হিন্দুয়ানী প্রাকটিস’ ছিল না। এটি ছিল আবহমান বাংলার মাটি ও মানুষের স্বাভাবিক জীবনচর্চা।

ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিচার করলেও এই উৎসবের মূলে কোনো শরয়ী সমস্যা নেই। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘হালাল স্পষ্ট এবং হারামও স্পষ্ট।’ হাদিসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে প্রতিটি জাতির নিজস্ব উৎসব থাকে। কোনো জাতি ইসলাম গ্রহণ করলে তার সকল সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বর্জন করতে হবে, ইসলামে এমন কোনো নির্দেশনা নেই। “যা শির্ক নয়, যা অশ্লীল নয়, যা বান্দা বা আল্লাহর হকের ক্ষতি করে না তা উপভোগ করার ক্ষেত্রে কোনো শরয়ী বাধ্যবাধকতা নেই।” একবার হযরত আয়েশা (রা.)-এর সাথে হাবশিদের রণকৌশলের আনন্দময় খেলা দেখে রাসূল (সা.) নিজেই প্রশংসা করেছিলেন। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে ইসলাম সুস্থ সাংস্কৃতিক আনন্দকে স্বীকৃতি দেয়।

বিংশ শতাব্দীর শেষে- একটি উৎসবের রাজনৈতিক রূপান্তর :
পহেলা বৈশাখের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মোড় আসে ১৯৮০-র দশকের শেষ দিকে। ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের একদল ছাত্র সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে একটি শোভাযাত্রা বের করেন যা পরবর্তীতে আনন্দ শোভাযাত্রা থেকে পরিবর্তন করে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নামে পরিচিত হয়।
এই শোভাযাত্রা ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্যোগ। এটি প্রাচীন কোনো হিন্দু ঐতিহ্য ছিল না, আবার বাংলার কৃষক-মুসলিমের শতাব্দীপ্রাচীন বর্ষবরণও ছিল না, এটি ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাম-প্রগতিশীল ছাত্রদের একটি সাম্প্রতিক রাজনৈতিক আবিষ্কার।

কিন্তু ধীরে ধীরে এই শোভাযাত্রাটিই পহেলা বৈশাখের প্রধান প্রতীক হয়ে উঠল। ২০১৬ সালে ইউনেস্কো এটিকে ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। শোভাযাত্রায় ব্যবহৃত মুখোশ, পেঁচার প্রতীক, বিভিন্ন পশু-পাখির মূর্তি এগুলোকে কৌশলে ধীরে ধীরে পহেলা বৈশাখের ‘অপরিহার্য’ অংশ হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় শতশত বছরের বাঙালি মুসলিম বর্ষবরণের ঐতিহ্য পিছিয়ে পড়ে। সহজ ভাষায় বললে বাঙালি মুসলিমদের ওপর একপ্রকার জোর করে পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার মাধ্যমে অনৈসলামিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আগ্রাসন চাপিয়ে দেওয়া হয়।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট করা দরকার। আনন্দ শোভাযাত্রা থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রাতে যে রুপান্তর, এর মাধ্যমে মূলত বাঙালী মুসলিম মানষ কে সাংস্কৃতিক ভাবে নিজস্ব কৃষ্টি কালচার থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার এক ঘৃণ্য-অপপ্রয়াস ছাড়া আর কিছুই নয়। তবে মঙ্গল শোভাযাত্রাকে একবারে ‘হিন্দু উৎসব’ বলাও সঠিক নয়। এটি আসলে একটি সেক্যুলার-বাম রাজনৈতিক উদ্যোগ, যা ধীরে ধীরে সাংস্কৃতিক আচারে পরিণত করার চেষ্টা চলছে, মূলত মুসলীম সংস্কৃতি কে ছোট করে হিন্দুয়ানি(ভারত-মুখী) সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চালানোর মাধ্যমে। সমস্যা এটি নয় যে এটি ‘হিন্দু সংস্কৃতি’ সমস্যা হলো এটি বাংলাদেশের ৯০ শতাংশ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতিনিধিত্ব করে না।

পহেলা বৈশাখকে পুনরুজ্জীবন ও পুনরুদ্ধারের ডাক:
তাহলে আমরা কী করব? পহেলা বৈশাখ বর্জন করব? না। এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হলে আমাদের ভাবতে হবে আমরা কি একটি উৎসবকে অন্যদের হাতে ছেড়ে দেব, যে উৎসবের জন্ম আমাদেরই পূর্বপুরুষদের হাতে? বরং আমাদের উচিত পহেলা বৈশাখকে তার মূল শেকড়ে ফিরিয়ে আনা। এই পথে কিছু বিষয় সুস্পষ্টভাবে বলা দরকার।

যা বর্জনীয়:
পৌত্তলিক প্রতীক ও মূর্তি-সদৃশ মাস্ক, অশ্লীল নাচগান ও মিশ্র জমায়েত, যেকোনো ধরনের উপাসনা বা ‘মঙ্গল কামনায় আচার যা শির্কের দিকে ধাবিত করে।

যা উৎসাহিত করা উচিৎ:
পরিবার-কেন্দ্রিক আয়োজন, বছরের এই প্রথম দিনে পুরো পরিবার একসাথে হওয়া, ভালো খাবারের আয়োজন করা। এটি ঈদের আনন্দের মতোই একটি পারিবারিক মিলনের উপলক্ষ হতে পারে। হালখাতার পুনরুজ্জীবন, ব্যবসায়ীরা নতুন হিসেবের খাতা খুলবেন, পাওনাদারেরা পুরনো পাওনা চুকিয়ে দেবেন, নতুন বছরের জন্য দোয়া করবেন, নতুন বছরে সুখ এবং সমৃদ্ধির জন্য মসজিদে মসজিদে দোয়া হবে। কারণ এটি আমাদের মুসলিম পূর্বপুরুষদের ঐতিহ্য। বিভিন্ন মেহেফিল আয়োজন হতে পারে যেখানে বাংলার লোকসংস্কৃতি ও সংগীত, পল্লীগান, হাসন রাজা, শাহ আবদুল করিমের মুসলিম লোকগানের সমৃদ্ধ যে ধারা তার পুনরুজ্জীবন করা হবে। এই ধরনের কার্যক্রম পহেলা বৈশাখের আনন্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষে হতে পারে।

কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া ও মিলাদের মাধ্যমে বর্ষবরণ করা যেতে পারে। যে দেশের মানুষ নতুন দোকান খোলার সময়ও কোরআন তেলাওয়াত করান মেলাদ পড়ান, তারা কেন পহেলা বৈশাখে কোরআন তেলাওয়াত ও মোনাজাত দিয়ে শুরু করতে পারবেন না?

সম্প্রদায়ের মিলনমেলা ও বিভিন্ন সেবা মূলক প্রোগ্রাম আয়োজন, সেই সাথে মসজিদকেন্দ্রিক সাংস্কৃতিক আয়োজন, দরিদ্রদের মধ্যে খাবার বিতরণ ইত্যাদির মাধ্যমে পহেলা বৈশাখ হতে পারে ইসলামের সামাজিক মূল্যবোধের উৎসব। “অপসংস্কৃতি দূর করতে হলে শুধু নিষেধ করলেই হয় না, পাশাপাশি সুস্থ বিকল্প সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হয়।”

আলেম সমাজের ভূমিকা, সমালোচনার বাইরে গিয়ে নেতৃত্ব দান:
পহেলা বৈশাখ নিয়ে আলেম সমাজের সাধারণ অবস্থান হলো সমালোচনা করা। কিন্তু শুধু সমালোচনায় কোনো গঠনমূলক পরিবর্তন সাধন করা সম্ভব নয়। যখন আলেমরা কেবল ‘এটা নাজায়েজ, ওটা হারাম’ বলে থেকে যান, তখন সাধারণ মানুষ বিশেষত তরুণ প্রজন্ম, বিকল্পের অভাবে তথাকথিত প্রগতিশীলদের নির্ধারিত ছাঁচেই উৎসব পালন করে।
ভারতীয় উপমহাদেশের বিখ্যাত আলেম সাইয়্যেদ আবুল হাসান আলী নদবী (রহ.) বহু আগেই বাংলা ভাষাকে আঁকড়ে ধরার, বাংলার সংস্কৃতিতে ইসলামকে প্রোথিত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তাঁর সেই দূরদর্শী পরামর্শ এখনও পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। আলেম সমাজ যদি এগিয়ে আসেন বর্ষবরণের ইসলামী ইতিহাস ব্যাখ্যা করেন, মুঘল ঐতিহ্যের সাথে মুসলিম পরিচয়ের সম্পর্ক তুলে ধরেন, পরিবার ও সম্প্রদায়কেন্দ্রিক উদ্‌যাপনের নমুনা তৈরি করেন তাহলে এই চিত্র বদলাতে বেশি সময় লাগবেনা। আমরা আবার মুঘল ইসলামি ঐতিহ্যের দিকে ফিরে যেতে পারবো।

আমাদেরই উৎসব, আমাদেরই করে নেব:
পহেলা বৈশাখ বাঙালি মুসলমানের উৎসব। এর জন্ম হয়েছিল আমাদের পূর্বপুরুষদের হাতে, আমাদের জমির ফসলকে ঘিরে, আমাদের সমাজের প্রয়োজনে। শতশত বছর ধরে আবহমান বাংলার মুসলিম কৃষক, ব্যবসায়ী, কারিগর, সবাই এই দিনটিকে নতুন শুরুর উপলক্ষ হিসেবে পালন করে এসেছেন। আমাদের কাজ হলো এই উৎসবকে তার মূল ধারায় ফিরিয়ে আনা। মঙ্গল শোভাযাত্রার পরিবর্তে মসজিদে দোয়া-মোনাজাত দিয়ে নতুন বছর শুরু করা। পৌত্তলিক প্রতীকের বদলে বাংলার লোকসংগীতের মুসলিম ঐতিহ্যকে সামনে আনা। হালখাতার পুরনো রীতিকে নতুন রূপে জীবন্ত করা। বাঙালি পরিচয় আর মুসলিম পরিচয় এ দুটো কখনো পরস্পর বিরোধী নয়। পহেলা বৈশাখ তার সবচেয়ে উজ্জ্বল প্রমাণ হতে পারে। যদি আমরা সেটিকে আমাদের মতো করে উদযাপন করতে পারি। “এসো, বাংলার মাটির সাথে মুসলিম হৃদয়ের এই মিলনমেলায় আমরা নতুন বছরকে স্বাগত জানাই, আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে, পরিবারকে ভালোবেসে, প্রতিবেশীর সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়ে।।”

লেখক: আহনাফ আয়ান

সম্পর্কিত সংবাদ

Home Post

অনলাইন শ্রেণি কার্যক্রম: আবারও ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে শিক্ষা খাত

এপ্রিল ৯, ২০২৬
Home Post

চিরতরে বদলে যেতে চলেছে বিশ্বব্যবস্থা

এপ্রিল ৭, ২০২৬
Home Post

ইরান যুদ্ধ ও নো-কিংস আন্দোলন : বিভক্ত যুক্তরাষ্ট্র

এপ্রিল ৫, ২০২৬

Discussion about this post

জনপ্রিয় সংবাদ

  • জেন-জি বিপ্লব: নেপাল ও বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থান থেকে নতুন রাজনৈতিক যাত্রা

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • সন্ত্রাসের দুই মুখ: গাইবান্ধার সিজু হত্যা ও বসুন্ধরায় সামরিক ষড়যন্ত্র

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • নির্বাচন কমিশনের আচরণে পক্ষপাত

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • বাবরি মসজিদ নাকি রাম মন্দির ? ইতিহাস কি বলে ?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ইরান যুদ্ধ ও নো-কিংস আন্দোলন : বিভক্ত যুক্তরাষ্ট্র

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সাম্প্রতিক সংবাদ

বাঙালি মুসলমানের পহেলা বৈশাখ; শেকড়ের সন্ধানে, পরিচয়ের উদ্‌যাপনে

এপ্রিল ১৩, ২০২৬

অনলাইন শ্রেণি কার্যক্রম: আবারও ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে শিক্ষা খাত

এপ্রিল ৯, ২০২৬

চিরতরে বদলে যেতে চলেছে বিশ্বব্যবস্থা

এপ্রিল ৭, ২০২৬

ইরান যুদ্ধ ও নো-কিংস আন্দোলন : বিভক্ত যুক্তরাষ্ট্র

এপ্রিল ৫, ২০২৬

জেন-জি বিপ্লব: নেপাল ও বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থান থেকে নতুন রাজনৈতিক যাত্রা

মার্চ ২৮, ২০২৬

© Analysis BD

No Result
View All Result

© Analysis BD