রবিবার, মে ৩১, ২০২৬
Analysis BD
No Result
View All Result
No Result
View All Result
Analysis BD
No Result
View All Result
Home Home Post

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কৌশলে শিক্ষক ঢুকাচ্ছে ইসকন!

অক্টোবর ২২, ২০১৯
in Home Post, slide, বিশেষ অ্যানালাইসিস
Share on FacebookShare on Twitter

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

ইসকন একটি উগ্রবাদী হিন্দু বৈষ্ণব প্রতিষ্ঠান। যার পুরো নাম ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর কৃষ্ণ কনশাসনেস (ইসকন) বা আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ। এর মুল উদ্দেশ্য মুসলিম বাচ্চাদেরকে বিপথগামী করে ধর্ম থেকে দুরে ঠেলে দেওয়া এবং ধর্মকে বিতর্কিত করে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করা। কেন্দ্র ভারতে হলেও বাংলাদেশেও এর প্রভাব বাড়ছে। তা ভক্ত অনুসারির সংখ্যার বিচারে, আচার অনুষ্ঠান আয়োজনে এবং প্রচার প্রাচরনায়ও। এমনকি বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ পদে তাদের লোক নিয়োগের আবদারও বাড়ছে।

১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে গত ফেব্রুয়ারিতে। অভিযোগ রয়েছে ইসকনের ভক্ত-অনুসারি বা দিক্ষিত এমন কমপক্ষে তিন জনকে নিয়োগ দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের ওপর চাপ রয়েছে সংগঠনটির।

ইসকনের কেন্দ্রীয় স্বামীবাগ আশ্রমের ব্রহ্মচারী ঈশ্বর গৌরহরিদাস বলছিলেন তাদের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে বিচরনের কথা। তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের প্রায় সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েই শিক্ষকদের ৩/৪ জন করে ইসকনের ভক্ত-অনুসারি রয়েছেন। আর নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ার সব ক্ষেত্রেই ২/৩ জন করে থাকছেন।

হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘ওখানেও আমাদের একজন নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন। সব প্রক্রিয়া শেষ। এখন শুধু ফলাফলের অপেক্ষা।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০৮-২০১৩ মেয়াদে গণিতে মাস্টার্স সম্পন্ন করা তরুণ এই ব্রহ্মচারী আরও জানান, তার বিভাগে ইসকনের অনুসারি কোন শিক্ষক না থাকলেও উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগে একজন শিক্ষক ছিলেন যিনি পরে বিভাগীয় প্রধানেরও দায়িত্ব পালন করেন।

উগ্রবাদী পন্থী এই সংগঠনটির যাত্রা শুরু ১৯৬৬ সালে নিউ ইয়র্কে। যার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এসি ভক্তিভেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ। তবে বাংলাদেশে ইসকনের কার্যক্রম নিয়ে প্রথম ১৯৭৫ সালে আয়ারল্যান্ডের একজন ও কানাডার দুই নাগরিক আসেন। প্রথমে তারা ঢাকার ৬১ তেজকুনিপড়ায় অফিস খুলে কার্যক্রম শুরু করেন। কিন্তু সে সময় বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে তারা আর বেশি দিন স্থায়ী হতে পারেননি।

পরে আবার ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশে শুরু হয় ইসকনের প্রচার কার্য। এ যাত্রায়ও প্রথমে তারা তেজকুনিপাড়ায় এবং পরে ঢাকার ওয়ারি ও চিটাগং-এর হাটাজারিতে মন্দির স্থাপন করে। অল্প সময়ের মধ্যে হাটাজারিতে তাদের প্রভাব এতটাই বৃদ্ধি পায় যে, ওই এলাকায় একটি গ্রামের নাম ‘ইসকন নগর’ রাখা হয়েছে।

১৮৯৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর ভারতের উত্তর কলকাতার ১৫১ নং হ্যারিসন রোডে জন্মগ্রহণ করা এসি ভক্তিভেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করে ১৯৬৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে যান। বলা হয়, সেখানে তিনি যে জায়গাটিতে সর্ব প্রথম ওঠেন সেটির নিয়ন্ত্রণ ছিল হিপ্পিদের। বিশৃঙ্খলা ও অনিয়মই ছিল যাদের জীবনের অংশ।

এরপর ১৯৭২ সালে তিনি যান রাশিয়াতে এবং সেখানেও তিনি কৃষ্ণ ভক্তির বিভিন্ন নমুনা প্রচার করতে থাকেন। ইসকনের দাবি, বর্তমানে রাশিয়াতে তাদের মন্দিরের সংখ্যা দুই শতাধিক। আর বাংলাদেশে গত এক দশকে মন্দিরের সংখ্যা দ্বিগুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭১টিতে। এর মধ্যে ঢাকাতেই ছয়টি। প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালের দিকে এর সংখ্যা ছিল ৩৫টি।

অথচ, ইসকনের কেন্দ্রীয় দপ্তর ভারতের মায়াপুরে এবং এসি ভক্তিভেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ শেষ নিঃশ্বাসও ত্যাগ করেছেন ওখানে। সেই গোটা ভারতেই এখন পর্যন্ত ইসকনের মন্দিরের সংখ্যা ৬৪টি। ফলে তুলনামূলক বিচারে ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে ইসকনের প্রচার ও প্রসার অনেকটাই বেড়েছে।

বাংলাদেশে ইসকন উদ্দেশ্য কি ?

“বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক প্রধানদের কথা- বাংলাদেশে ‘র’ বইয়ে লেখা আছে- “ইসকন নামে একটি সংগঠন বাংলাদেশে কাজ করছে। এর সদর দফতর নদীয়া জেলার পাশে মায়াপুরে। মূলতঃ এটা ইহুদীদের একটি সংগঠন বলে জানা গেছে। এই সংগঠনের প্রধান কাজ হচ্ছে বাংলাদেশে উস্কানিমূলক ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করা, যার উদ্দেশ্য হচ্ছে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি।”. (বই- বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক প্রধানদের কথা- বাংলাদেশে ‘র’ পৃষ্ঠা:১৭১)

দেখা গেছে, এই উগ্র সংগঠনটি ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ধর্মীয় উস্কানীসহ নানাভাবে উত্তেজনা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। ২০১৬ সালে ঢাকাস্থ স্বামীবাগে মসজিদের তারাবীর নামাজ বন্ধ করে দিয়েছিলো এই ইসকন। জানা যায় নামজের সময় ইসকনের গান-বাজনা বন্ধ রাখতে বলায় তারা পুলিশ ডেকে এনে তারাবীর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পরে বিষয়টি নিয়ে সংঘর্ষ হয়। এসময় সিলেটে একটি মসজিদেও একই ঘটনা ঘটে। এছাড়া গত জুলাই মাসে মুসলিম শিশু-কিশোরদের মাঝে হিন্দুত্ববাদের স্লোগান দিয়ে কৃষ্ণ প্রসাদ বিতরণ করেন ইসকন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ৯০% মুসলিম অধ্যুষিত দেশে অবুঝ মুসলিম শিশু-কিশোরদেরকে “হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে, হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে, মাতাজি প্রসাদ কি জয়” শ্লোগান দেয়ানো চরম ধৃষ্টতার শামিল। মুসলিম শিশুদের পবিত্র মুখে এসব কুফুরী শব্দ উচ্চারণ করিয়ে কৌশলে ঈমান হরণের অপচেষ্টা চলছে। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে তাদের অনুসারী প্রবেশ করিয়ে বিভিন্নভাবে উগ্রবাদী চিন্তা চেতনা দিয়ে তরুন সমাজকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে।

সম্পর্কিত সংবাদ

Home Post

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

মে ৪, ২০২৬
Home Post

শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

মে ২, ২০২৬
slide

হরমুজ প্রণালি কীভাবে ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রে পরিণত হয়েছে

এপ্রিল ২০, ২০২৬

জনপ্রিয় সংবাদ

  • শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • বসুন্ধরার মালিকের পরিবারে চাঞ্চল্যকর যত খুন

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • কী বার্তা দিয়ে গেলেন জাতিসংঘের মহাসচিব?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • খালেদা জিয়ার জামিনের আদেশ রোববার

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সাম্প্রতিক সংবাদ

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

মে ৪, ২০২৬

শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

মে ২, ২০২৬

হরমুজ প্রণালি কীভাবে ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রে পরিণত হয়েছে

এপ্রিল ২০, ২০২৬

বেলায়াত-এ-ফকিহ: অর্ধশতাব্দি ধরে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকার মূল শক্তি

এপ্রিল ১৯, ২০২৬

বাংলাদেশে নয়া ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি ও ইতালীয় দার্শনিকের বয়ান

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

© Analysis BD

No Result
View All Result

© Analysis BD