শুক্রবার, মে ১, ২০২৬
Analysis BD
No Result
View All Result
No Result
View All Result
Analysis BD
No Result
View All Result
Home Home Post

বিচার ব্যাবস্থা ধ্বংস করে নিজেই ন্যায়বিচার খুঁজছেন সিনহা!

জুলাই ১৫, ২০১৯
in Home Post, slide, বিশেষ অ্যানালাইসিস
Share on FacebookShare on Twitter

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

সরকারের নির্দেশে নীতি নৈতিকতাকে বিসর্জন দিয়ে, সাক্ষ্য প্রমাণ ছাড়াই সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে বিচারের নামে প্রহসনন করে দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদেরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেছিলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা। সেই বিচারপতি সিনহা নিজেই এখন ন্যায়বিচার চেয়ে আকুতি-মিনতি করছেন।

সম্প্রতি ফার্মার্স ব্যাংকের ৪ কোটি পাচারের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগ তদন্ত শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। এ মামলা দায়েরের পরই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বেনার নিউজকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বিচারপতি সিনহা।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে সিনহা বলেছেন, প্রধান বিচারপতি থাকতেই ন্যায় বিচার পাইনি। এখন কিভাবে আশা করি! তিনি এও বলেছেন, বাংলাদেশে ন্যায় বিচার আশা করা যায় না!

এখন প্রশ্ন হলো-প্রধান বিচারপতি থাকাকালীন সুরেন্দ্র কুমার সিনহা নিজে কয়টি ন্যায়বিচার করেছিলেন? কথিত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে জামায়াতের শীর্ষ নেতা ও বিএনপির সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে দেয়া ফাঁসির আদেশগুলো কি সঠিক ছিল? এসকে সিনহা কি তখন সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এসব রায় বহাল রেখেছিলেন? মোটেও না। বরং তিনি নিজেই ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিদেরকে নির্দেশ দিয়েছিলেন কয়টা ফাঁসির রায় দিয়ে দেন।

সরকারের কথিত ট্রাইব্যুনালের সবচেয়ে বড় কেলেংকারি ছিল স্কাইপির কথোপকথন ফাঁস। স্কাইপে সিনহা বাবু সেদিন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান নিজামুল হক নাসিমকে বলেছিলেন, ৩টা রায় দিয়া লন। আপনাকে এখানে (আপিল বিভাগে) নিয়া আসি!

সিনহা বাবু আজ ন্যায়বিচার খুঁজছেন। সেদিন ৩টা ফাঁসির রায় দেয়ার নির্দেশ দেয়া কি ন্যায়বিচার ছিল?

দেখা গেছে, আবদুল কাদের মোল্লার মামলায় প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষী হিসাবে সরকার হাজির করেছিল কথিত মোমেনা বেগমকে। এই মোমেনা বেগম ৩ জায়গায় একই ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন ৩ রকমে। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরকে বলেছেন, ঘটনার সময় তিনি শ্বশুর বাড়িতে ছিলেন। পরবর্তীতে মানুষের কাছে শুনেছেন। এরপর তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কর্মকর্তার কাছে। এখানে তিনি বলেছেন, তাঁর বয়ষ ১২-১৩ ছিল। ঘটনার সময় ছোটবোনকে নিয়ে খাটের নিচে ট্রাঙ্কের পেছনে লুকিয়ে ছিলেন। তবে আবদুল কাদের মোল্লাকে দেখেছেন এমন কথা বলেননি। বলেছেন মানুষের কাছে শুনেছেন তিনি। তৃতীয়বার তাঁকে দিয়ে বলানো হয়েছে ট্রাইব্যুনলের ক্যামেরা ট্রায়ালে। প্রশ্ন হচ্ছে, খাটের নিচে ট্রাঙ্কের পেছনে লুকিয়ে থাকা ১২-১৩ বছরের একজন কিশোরী ৪০ বছর আগে দেখা চেহারা কিভাবে চিহ্নিত করলেন? ট্রাঙ্কের পেছনে লুকিয়ে থাকা ব্যক্তি কিভাবে দেখলেন! এর মধ্যে তার কোন বক্তব্যটি সত্য? মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরকে দেয়া বক্তব্য? তদন্ত কর্মকর্তাকে দেয়া বক্তব্য ? নাকি ট্রাইব্যুনালে স্বাক্ষ্য দেয়ার সময় দেয়া বক্তব্য? এক ব্যক্তির একই ঘটনায় ৩টি বক্তব্য থেকে একটাকে সত্য হিসাবে ধরে নেয়ার বিচারের মাপকাঠি কি ছিল? এই মোমেনার বিতর্কিত বক্তব্যের স্বাক্ষ্য থেকে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী আব্দুল কাদের মোল্লাকে ফাঁসির নামে হত্যার রায় দিয়েছিলেন সিনহা বাবু! এটা কি ন্যায় বিচার হয়েছিল?

এসকে সিনহা মীর কাসেম আলীর আপিলের রায়ের আগে বলেছিলেন, ফাঁসি দেয়ার মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ রাষ্ট্রপক্ষ উপস্থিত করতে পারেনি। তারপরও আপনি মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায় বহাল রেখে ছিলেন। এটা কি ন্যায়বিচার ছিল?

ঠিক একইভাবে জামায়াতের অন্যান্য শীর্ষনেতাদের ক্ষেত্রে সিনহা বাবু সরকারের নির্দেশে ফরমায়েশি রায় দিয়েছিলেন।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে সিনহা বলেছেন, বাংলাদেশে এখন ন্যায়চিবচার আশা করা যায় না।

সিনহার এমন মন্তব্যে সাধারন মানুষ বলছেন, এদেশে একদিন ন্যায়বিচার ছিল। আপনি যেদিন থেকে প্রধান বিচারপতির চেয়ারে বসেছিলেন, সেদিন থেকেই বাংলাদেশের ন্যায়বিচারের পরিসমাপ্তি ঘটে। সেদিন থেকেই এদেশের বিচার ব্যবস্থা ধ্বংস হতে শুরু হয়। আর বিচার ব্যবস্থাকে ধ্বংসের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আপনি নিজেই। আর আজ বলছেন, বাংলাদেশে ন্যায়বিচার আশা করা যায় না।

সম্পর্কিত সংবাদ

slide

হরমুজ প্রণালি কীভাবে ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রে পরিণত হয়েছে

এপ্রিল ২০, ২০২৬
slide

বেলায়াত-এ-ফকিহ: অর্ধশতাব্দি ধরে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকার মূল শক্তি

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
Home Post

বাংলাদেশে নয়া ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি ও ইতালীয় দার্শনিকের বয়ান

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

জনপ্রিয় সংবাদ

  • চিরতরে বদলে যেতে চলেছে বিশ্বব্যবস্থা

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ইরান যুদ্ধ ও নো-কিংস আন্দোলন : বিভক্ত যুক্তরাষ্ট্র

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • অনলাইন শ্রেণি কার্যক্রম: আবারও ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে শিক্ষা খাত

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ধর্মীয় কারণে নয়, মুসলিম বিদ্ধেষ থেকেই গো রক্ষার জিগির

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • সন্ত্রাসের দুই মুখ: গাইবান্ধার সিজু হত্যা ও বসুন্ধরায় সামরিক ষড়যন্ত্র

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সাম্প্রতিক সংবাদ

হরমুজ প্রণালি কীভাবে ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রে পরিণত হয়েছে

এপ্রিল ২০, ২০২৬

বেলায়াত-এ-ফকিহ: অর্ধশতাব্দি ধরে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকার মূল শক্তি

এপ্রিল ১৯, ২০২৬

বাংলাদেশে নয়া ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি ও ইতালীয় দার্শনিকের বয়ান

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

বাঙালি মুসলমানের পহেলা বৈশাখ; শেকড়ের সন্ধানে, পরিচয়ের উদ্‌যাপনে

এপ্রিল ১৩, ২০২৬

অনলাইন শ্রেণি কার্যক্রম: আবারও ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে শিক্ষা খাত

এপ্রিল ৯, ২০২৬

© Analysis BD

No Result
View All Result

© Analysis BD