রবিবার, মার্চ ১৫, ২০২৬
Analysis BD
No Result
View All Result
No Result
View All Result
Analysis BD
No Result
View All Result
Home Home Post

ঐক্যফ্রন্টের লিয়াজোঁ কমিটি গঠন, ২৩ অক্টোবর জনসভা

অক্টোবর ১৬, ২০১৮
in Home Post, রাজনীতি
Share on FacebookShare on Twitter

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের লিয়াজোঁ কমিটি গঠিত হয়েছে। ২৩ অক্টোবর সিলেটে জনসভার মধ্য দিয়ে ঐক্যফ্রন্ট আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করবে।

গুলশানে জেএসডি সভাপতি আ স ম রবের বাসভবনে আজ মঙ্গলবার ঐক্যফ্রন্টের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তা জানান জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব। এ সময় তার স্ত্রী তানিয়া রব উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, ব্যারিস্টার মইনুল হোসেমন, গণফোরাম নেতা সুব্রত চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

যেসব কর্মসূচি দিতে যাচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট

সুষ্ঠু ও অবাধ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে চায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ফ্রন্টের নেতারা বলেছেন, আলোচনার দ্বার উন্মুক্ত রেখেই আন্দোলন কর্মসূচিতে যাবেন তারা। যদি সরকার জনগণের চাওয়া আঁচ করতে না পারে, সে ক্ষেত্রে পরিস্থিতি যেকোনো দিকে মোড় নিতে পারে।

জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে রোডমার্চ ও সমাবেশের কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। আগামী সপ্তাহে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এর আগে বৈঠক করে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকারের ওপর চাপ তৈরির কর্মকৌশল চূড়ান্ত করবেন ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা। একইসাথে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কলেবর আরো বাড়ানো হবে। ২০ দলীয় জোটের আরো বেশ কয়েকটি দল জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেবে। বামঘরানার কিছু দলকেও ফ্রন্টে ভেড়ানোর প্রচেষ্টা চলছে।

গত ১৩ অক্টোবর বিএনপিকে সাথে নিয়ে নতুন রাজনৈতিক জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আত্মপ্রকাশের পর শীর্ষ নেতারা আগামী দিনের কর্মসূচি ও কর্মকৌশল কী হবে তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে শলাপরামর্শ করছেন। আজ-কালের মধ্যে তারা আবারো একসাথে বসবেন। জানা গেছে, জোটগঠনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে চান না ফ্রন্টের নেতারা। যে সাতটি দাবি আদায়ে একমত হয়ে তারা জোট গঠন করেছেন, তা চূড়ান্ত সফলতার দিকে নিয়ে যাওয়াই এখন তাদের লক্ষ্য।

কোনো দল বা ব্যক্তিস্বার্থকে প্রাধান্য না দিয়ে তারা সমন্বিত কৌশলে এগোতে চান। যেকোনো কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে ফ্রন্টভুক্ত দলগুলোর যৌথ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে। এ ক্ষেত্রে গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন, বিএনপির শীর্ষ তিন নেতা মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, জেএসডির আ স ম আব্দুর রব, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না প্রধান ভূমিকা পালন করবেন। পরামর্শ নেয়া হবে গণস্বাস্থ্যের ট্রাস্টি ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের। পরিমিত কথা বলায় পারঙ্গম মাহমুদুর রহমান মান্নাকে ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হতে পারে।

ফ্রন্টের এক নেতা গতকাল নয়া দিগন্তের সাথে আলাপকালে বলেন, বিকল্পধারাকে বাদ দিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্তটা ছিল খুবই দূরদর্শী। কারণ বি চৌধুরী ও তার পুত্র মাহি বি চৌধুরী পুরো প্রক্রিয়াটাকে ভিন্ন খাতে ব্যবহার করতে চেয়েছেন। লক্ষ্য যেখানে সুষ্ঠু নির্বাচন, সেখানে তারা বিএনপিকে ঘায়েল করতে একটি প্রতিশোধমূলক পরিকল্পনায় ছিলেন। তারা যেসব শর্ত জুড়ে দিয়েছিলেন, সেগুলোও ওই পরিকল্পনারই অংশ। নেতৃত্ব নিয়েও তারা যথেষ্ট ঝামেলা তৈরি করেছিলেন। তারা কোনো একটি পক্ষের উদ্দেশ্য হাসিল করতে ধূম্রজাল তৈরি করছেন, এমনটা স্পষ্ট হয়ে যাওয়ায় তাদেরকে ত্বরিত সিদ্ধান্তে বাদ দিয়ে জাতীয় ঐক্য হয়েছে।

ওই নেতা বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কর্মসূচি কী হবে তা এক সপ্তাহের মধ্যেই স্পষ্ট হবে। সিলেট অথবা শাহজালালের মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হতে পারে। রোডমার্চ সমাবেশের ডাক দেবেন তারা।

জানা গেছে, ২০ দলীয় জোটে থাকা আরো বেশ কয়েকটি দল জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মঞ্চে আসবে। এলডিপি, জাপা, বিজেপির সাথে এ নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। এসব দল একইসাথে ২০ দলীয় জোটেও থাকবে।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর সরকারের ওপর সুষ্ঠু নির্বাচনের চাপ আরো বেড়েছে। আগামী দিনে তারা সঠিক কর্মসূচি গ্রহণ করবেন। সেই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জনগণের যে চাওয়া, সেটি অর্জিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সাত দফা দাবির মধ্যে তিনটি প্রধান দাবিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন, বেগম খালেদা জিয়াসহ আটক রাজবন্দীদের মুক্তি ও ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন। এসব দাবি আদায়ের পথে ‘উইন উইন’ পরিস্থিতি দেখা দিলে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেবেন তারা।

সূত্র মতে, ২০ দলীয় জোটের পাশাপাশি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হওয়ায় বিএনপি এই দুই জোটের মধ্যে ভারসাম্যমূলক নীতি গ্রহণ করে এগোতে চায়। দলটির নেতারা এ ক্ষেত্রে নির্বাচনে অংশ নিলে আসনবণ্টনের কাজটিকে চ্যালেঞ্জ মনে করছে। এক দিকে নিজ দলের দুঃসময়ের নেতাদেরকে তাদের মূল্যায়ন করতে হবে, অন্য দিকে জোট ও ফ্রন্টের নেতাদেরও জায়গা করে দিতে হবে।

সূত্র: নয়াদিগন্ত

সম্পর্কিত সংবাদ

Home Post

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা কে এই মুজতবা খামেনী?

মার্চ ১০, ২০২৬
Home Post

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ দীর্ঘ হলে যে সকল সংকটে পড়বে বাংলাদেশ

মার্চ ৯, ২০২৬
Home Post

বদর যুদ্ধের অর্থনৈতিক ও পারিপার্শিক বিশ্লেষণ

মার্চ ৭, ২০২৬

জনপ্রিয় সংবাদ

  • ভোটের মাঠে জামায়াতের ঐতিহাসিক উত্থান: নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে অস্থিতিশীল হবে বৈশ্বিক অর্থনীতি

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • আওয়ামী সন্ত্রাসের নবউত্থানে বিএনপির আশকারা দেশের জন্য অশনিসংকেত

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • বসুন্ধরার মালিকের পরিবারে চাঞ্চল্যকর যত খুন

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • একনজরে বদর যুদ্ধের ঘটনাবলি

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সাম্প্রতিক সংবাদ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা কে এই মুজতবা খামেনী?

মার্চ ১০, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ দীর্ঘ হলে যে সকল সংকটে পড়বে বাংলাদেশ

মার্চ ৯, ২০২৬

বদর যুদ্ধের অর্থনৈতিক ও পারিপার্শিক বিশ্লেষণ

মার্চ ৭, ২০২৬

সাঈদীর রায় পরবর্তী গণহত্যা ও নিরবতায় অপরাধের মৌন সম্মতি উৎপাদন

মার্চ ৭, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে অস্থিতিশীল হবে বৈশ্বিক অর্থনীতি

মার্চ ২, ২০২৬

© Analysis BD

No Result
View All Result

© Analysis BD