শনিবার, মে ২, ২০২৬
Analysis BD
No Result
View All Result
No Result
View All Result
Analysis BD
No Result
View All Result
Home Top Post

ফেনী নদী সেতু: বাংলাদেশ নয় ভারতই সুবিধা বেশি পাবে

মার্চ ১০, ২০২১
in Top Post, বিশেষ অ্যানালাইসিস
Share on FacebookShare on Twitter

বাংলাদেশ এবং ভারতের সীমান্তে ফেনী নদীর ওপর দুই দেশের মধ্যে সংযোগকারী সেতুর মঙ্গলবার উদ্বোধন করা হয়েছে।

ভারতের ত্রিপুরার রাজ্যে বিজেপি সরকারের তিন বছর পূর্তির দিনে ৯ই মার্চ মঙ্গলবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সেতুর উদ্বোধন করেছেন।

এই অনুষ্ঠানে রেকর্ড করা এক ভাষণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রাজনীতির সীমারেখা বাণিজ্যে বাধা হতে পারে না।

বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলার রামগড়ে সেতুটির এক প্রান্ত আর অন্য প্রান্ত ভারতের দক্ষিণ ত্রিপুরার সাবরুম শহরে।

দুই দেশের কর্মকর্তারা বলেছেন, এই সেতুর মাধ্যমে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে ভারতের ত্রিপুরাসহ দেশটির উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর পণ্য আনা নেয়া সহজ হবে।

কিন্তু বাংলাদেশের লাভ কতটা হবে- সেই প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্লেষকদের অনেকে। তারা বলছেন বাংলাদেশ নয় ভারতের জন্য সুবিধা বেশি পাবে।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডির খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেছেন, এই সেতুর ফলে ভারতের জন্য সুবিধা বেশি হবে। তবে চট্টগ্রাম বন্দর এবং রাস্তা ব্যবহারের জন্য শুল্ক আদায় করে বাংলাদেশ লাভবান হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

“ভারতের দিক থেকে সুবিধার মাত্রাটি বেশি। তবে বাংলাদেশের জন্য সুবিধার বিষয়টি হতে পারে যেহেতু চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার হবে। ফলে বন্দরের বিভিন্ন সেবা নেয়ার জন্য যে সব মাশুল বা শুল্ক আছে, সেগুলো বাংলাদেশ এখান থেকে হয়তো পাবে। এছাড়া অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ শুল্ক নিতে পারবে,” তিনি মন্তব্য করেন।

খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেছেন, “এই সেতু মূলত ভারতের উভয় পাশের রাজ্যগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনকে সহজ করবে। তবে দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশের জন্য এটি ইতিবাচক হতে পারে।

”এর মাধ্যমে ত্রিপুরার সাথে বাংলাদেশ যুক্ত হলেও পাশাপাশি মেঘালয়-মণিপুরসহ যে রাজ্যগুলো রয়েছে, সেগুলোর যেহেতু মিয়ানমারের সাথেও সংযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, সেক্ষেত্রে সড়কপথে বাংলাদেশেরও মিয়ানমারের সাথে সংযোগ স্থাপনের সুযোগ রয়েছে,” মনে করেন খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

তিনি আরও বলেছেন, এই সেতু ব্যবহার করে ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর জন্য পণ্য আনা নেয়া করতে চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর চাপ বাড়তে পারে। সেদিকেও নজর দিতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক লাইলুফার ইয়াসমিন আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক কানেকটিভিটি নিয়ে কাজ করেন। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের ব্যবসা বাণিজ্যের জন্যও এই সেতু অনেক সুবিধা দেবে।

“ভারতের সাথে কানেকটিভিটি আমাদের ভীষণভাবে দরকার। কারণ আমরা এখনও মিয়ানমারে কোন স্থিতিশীল অবস্থা দেখছি না। সেজন্য মিয়ানমারের সাথে অর্থনৈতিক করিডোর নিয়ে একটা সন্দেহ রয়েছে।”

অধ্যাপক ইয়াসমিন বলেছেন, “বাংলাদেশের জন্য ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অ্যাক্সেস পাওয়া মানে হচ্ছে, আমরা একটা বার্গেনিং পাওয়ার তৈরি করতে পারি। ইতিমধ্যেই আমরা কিন্তু নেপালের সাথে একটা (করিডর) তৈরি করছি। এছাড়া ভারতে উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলোতে বাংলাদেশের পণ্যের একটা বিশাল মার্কেট আছে।

“যদিও অনেকে যুক্তি দেবেন যে, এই সেতুর মাধ্যমে ভারতের জন্য পণ্য আনা নেয়া সহজ হবে। কিন্তু এর সাথে আমার দেশের পণ্য যাওয়াটাও সহজ হবে। আমাদের দু’টি দিকই খেয়াল রাখতে হবে,” বলেন অধ্যাপক ইয়াসমিন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন ২০১৫ সালের জুন মাসে।

এখন এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে সেতুটির উদ্বোধন করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এটিকে দুই দেশের মধ্যে নতুন বাণিজ্য করিডোর হিসাবে বর্ণনা করেছেন।

সেই অনুষ্ঠানে এক ভিডিও বার্তায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এই সেতু দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অবদান রাখবে।

“এই সেতু আমাদের দুই দেশের মাঝে শুধু সেতু বন্ধনই রচনা করবে না-বরং ব্যবসা-বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিরাট অবদান রাখবে। শুধু চট্টগ্রাম পোর্ট নয়, চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরও ত্রিপুরাবাসী ব্যবহার করতে পারবে,” বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এদিকে, ঢাকায় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে চুক্তির মাধ্যমে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। তবে চট্টগ্রাম বন্দর এবং রাস্তা ব্যবহারে শুল্ক কতটা হবে- তা এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।

কর্মকর্তারা আরও বলেছেন এখন উদ্বোধন করা হলেও সেতুটি পুরোপুরি চালু করতে আরও কিছুটা সময় লেগে যেতে পারে।

সূত্র: বিবিসি

সম্পর্কিত সংবাদ

slide

বেলায়াত-এ-ফকিহ: অর্ধশতাব্দি ধরে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকার মূল শক্তি

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
Home Post

বাংলাদেশে নয়া ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি ও ইতালীয় দার্শনিকের বয়ান

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
Home Post

অনলাইন শ্রেণি কার্যক্রম: আবারও ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে শিক্ষা খাত

এপ্রিল ৯, ২০২৬

Discussion about this post

জনপ্রিয় সংবাদ

  • চিরতরে বদলে যেতে চলেছে বিশ্বব্যবস্থা

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ইরান যুদ্ধ ও নো-কিংস আন্দোলন : বিভক্ত যুক্তরাষ্ট্র

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • অনলাইন শ্রেণি কার্যক্রম: আবারও ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে শিক্ষা খাত

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • রাষ্ট্রের রক্ষাকবচ না হয়ে রাজনীতির হাতিয়ার: গোয়েন্দা সংস্থা ও সেনাবাহিনীর ভূমিকা

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • বাঙালি মুসলমানের পহেলা বৈশাখ; শেকড়ের সন্ধানে, পরিচয়ের উদ্‌যাপনে

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সাম্প্রতিক সংবাদ

হরমুজ প্রণালি কীভাবে ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রে পরিণত হয়েছে

এপ্রিল ২০, ২০২৬

বেলায়াত-এ-ফকিহ: অর্ধশতাব্দি ধরে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকার মূল শক্তি

এপ্রিল ১৯, ২০২৬

বাংলাদেশে নয়া ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি ও ইতালীয় দার্শনিকের বয়ান

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

বাঙালি মুসলমানের পহেলা বৈশাখ; শেকড়ের সন্ধানে, পরিচয়ের উদ্‌যাপনে

এপ্রিল ১৩, ২০২৬

অনলাইন শ্রেণি কার্যক্রম: আবারও ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে শিক্ষা খাত

এপ্রিল ৯, ২০২৬

© Analysis BD

No Result
View All Result

© Analysis BD