• যোগাযোগ
রবিবার, অক্টোবর ১৮, ২০২৬
Analysis BD
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে
No Result
View All Result
Analysis BD
No Result
View All Result
Home Home Post

পরীক্ষা ছাড়াই ভর্তি ডাকসু নেতা গোলাম রব্বানী, ছাত্রলীগের আরও ৩৪ জন

অক্টোবর ১৪, ২০১৯
in Home Post, slide, রাজনীতি
Share on FacebookShare on Twitter

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদের আট নেতার ছাত্রত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাঁরা সবাই ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান নেতা। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পড়া শেষ হওয়ায় নির্বাচনের আগমুহূর্তে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের একটি সন্ধ্যাকালীন মাস্টার্স প্রোগ্রামে তাঁরা ভর্তি হন। ভর্তির নীতিমালা অনুযায়ী, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই কেবল ওই প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়া যায়। কিন্তু তাঁদের কেউই তাতে অংশ নেননি। ভর্তি হওয়া একাধিক ছাত্র এবং ছাত্রলীগের বর্তমান ও সাবেক নেতা এ কথা স্বীকার করেছেন।

দীর্ঘ ২৮ বছর পর গত ১১ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ও হল ছাত্র সংসদের এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ১১ ফেব্রুয়ারি ডাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর ছাত্রলীগের ৩৪ জন সাবেক ও বর্তমান নেতা ছাত্রত্ব টিকিয়ে রাখতে ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের মাস্টার্স অব ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রামে ভর্তি হন। নির্বাচন করতে আগ্রহী এই ৩৪ জনের মধ্যে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সম্পাদক ও সদস্য পদে নির্বাচনে আটজন অংশ নেন, বিজয়ী হন সাতজন। এ ছাড়া দুটি হল সংসদের ভিপি পদে অংশ নেন দুজন। এর মধ্যে একজন নির্বাচিত হন, অন্যজন পরাজিত হন। আরেকজন ছিলেন ডাকসু নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য।

সন্ধ্যাকালীন মাস্টার্স প্রোগ্রামের নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথমে ভর্তির বিজ্ঞাপন প্রকাশ করতে হবে। বিজ্ঞাপন অনুযায়ী নির্ধারিত আবেদনপত্রের মাধ্যমে ভর্তির জন্য আবেদন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে আবেদন করা যাবে। আবেদনকারীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এসব পরীক্ষার ফল, আগের একাডেমিক ফল এবং কাজের অভিজ্ঞতার আলোকে সমন্বিত ফল তৈরি করা হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে যৌথভাবে দুই বছর মেয়াদি এই প্রোগ্রাম চালু হয় ২০১৭ সালের মাঝামাঝি। ডাকসু নির্বাচনের আগে এই প্রোগ্রামের সর্বশেষ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয় ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে। ৩০ নভেম্বর লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়, ভর্তিপ্রক্রিয়া শেষ হয় জানুয়ারিতে। আর ডাকসু নির্বাচন সামনে রেখে এসব শিক্ষার্থী ভর্তি হন ১১ ফেব্রুয়ারি তফসিল ঘোষণার পর।

২০১৮ সালের নভেম্বরে ভর্তি পরীক্ষার সময় এই প্রোগ্রামের পরিচালক ছিলেন ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম (পরে ডাকসুর কোষাধ্যক্ষ হন), সহকারী পরিচালক ছিলেন আবদুল্লাহ আল মাসুদ এবং চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন আবু তালেব।

গত ২৮ আগস্ট আবদুল্লাহ আল মাসুদ বলেন, নভেম্বরে জারি হওয়া ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী তাঁদের ভর্তিপ্রক্রিয়া জানুয়ারি মাসেই শেষ হয়। ডাকসু নির্বাচনের আগমুহূর্তে ৩৪ শিক্ষার্থী ভর্তির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়টি তাঁর জানা নেই। নিয়ম মেনে কেউ ভর্তি হয়ে থাকলে কমিটির সদস্য হিসেবে বিষয়টি তাঁর জানার কথা।

মাস্টার অব ট্যাক্স ম্যানেজমেন্টের পরিচালকের চলতি দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক মুজাহিদুল ইসলাম ২৭ আগস্ট সন্ধ্যায় বলেন, ওই সময় তিনি দায়িত্বে ছিলেন না। তবে পরীক্ষা ছাড়া কেউ ভর্তি হয়ে থাকলে তা অনিয়ম।

এই প্রোগ্রামের পরিচালক এবং অফিস সহকারী পরীক্ষা ছাড়া ভর্তি হওয়া এসব শিক্ষার্থীর তালিকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তবে ছাত্রলীগের এই নেতাদের নামের সন্ধান পাওয়া যায় ডাকসুর হলভিত্তিক ভোটার তালিকায়। ভোটার তালিকায় এসব ছাত্রের নামের পাশে বিভাগের জায়গায় কোথাও ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স, কোথাও এমটিএম (মাস্টার অব ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট) উল্লেখ করা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাস্টার অব ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রামের একজন অফিস সহকারী বলেন, তফসিল ঘোষণার পর ছাত্রলীগ নেতারা উপাচার্য বা ডিনের সই করা চিরকুট তাঁদের কাছে নিয়ে আসেন। এর ভিত্তিতেই তাদের ভর্তি ফরম ও টাকা জমা দেওয়ার রসিদ সরবরাহ করা হয়।

এসব ছাত্রলীগ নেতার বিষয়ে প্রোগ্রামের একাধিক শিক্ষকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভর্তির পর থেকে ক্লাস বা পরীক্ষায় এই নেতাদের কেউই অংশ নেননি।

ডাকসুর যেসব নেতার ভর্তি নিয়ে প্রশ্ন

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোন প্রকার ফ্যাকাল্টি মিটিং এবং বোর্ড অব অ্যাডভান্সড স্টাডিজের বৈঠক ছাড়াই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাব্বানীর থিসিস পেপার গ্রহণ করা হয় এবং তাকে এমফিলে ভর্তির করানো হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রলীগের সদ্য-সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে প্রার্থীতার সুযোগ করে দিতে কোন চেষ্টাই বাদ রাখেনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

ওই প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়া একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য ছাত্রলীগ নেতাদের অনেকেই দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন। তাঁদের অনেকেরই প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়ায় ছাত্রত্ব। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

এছাড়া কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন মো. রাকিবুল হাসান (শিক্ষাবর্ষ ২০০৯-১০)। ছাত্রলীগের বিগত কেন্দ্রীয় কমিটির কর্মসংস্থান সম্পাদক ছিলেন তিনি। গত ২৫ আগস্ট রাকিবুলের কাছে তাঁর ছাত্রত্বের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ওই প্রোগ্রামের কোন ব্যাচের ছাত্র, তা বলতে পারেননি। এক প্রশ্নের জবাবে রাকিবুল বলেন, ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই ভর্তি হয়েছেন। তিনি অনুষদের ডিন বরাবর আবেদন করেছিলেন।

সদস্য পদে নির্বাচিত হওয়া নজরুল ইসলামও ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। ছাত্রলীগের বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি তিনি। নজরুল ইসলাম বলেন, ভর্তি হতে তাঁকে পরীক্ষা দিতে হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর আবেদন করেছিলেন। সেই আবেদন পরবর্তী সময়ে প্রোগ্রামের পরিচালক ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিনের কাছে পাঠানো হয়। ডাকসুর সদস্য মুহা. মাহমুদুল হাসানও পরীক্ষা ছাড়াই ভর্তি হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

তবে ভর্তি পরীক্ষা ছাড়া ভর্তির বিষয়টি স্বীকার করেননি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মো. আরিফ ইবনে আলী (শিক্ষাবর্ষ ২০১০–১১) এবং স্বাধীনতাসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক সাদ বিন কাদের চৌধুরী (শিক্ষাবর্ষ ২০১১–১২)। মাস্টার অব ট্যাক্স ম্যানেজমেন্টে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েই ভর্তি হয়েছেন বলে এ দুজন দাবি করেছেন। এই বিষয়ে সরাসরি কোনো উত্তর দেননি ক্রীড়া সম্পাদক শাকিল আহমেদ তানভীর (শিক্ষাবর্ষ ২০০৯–১০)।

তবে এই তিনজনও ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে ভর্তি হননি বলে নিশ্চিত করেছেন ডাকসুর সদস্য নিপু ইসলাম। শামসুন্নাহার হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক এই সভাপতি ২৫ আগস্ট বলেন, তিনি, আরিফ, শাকিল, তানভীর ও নজরুল একসঙ্গেই ভর্তি হয়েছিলেন। তাঁদের কাউকেই পরীক্ষা দিতে হয়নি।

এই সাতজনের বাইরেও ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরেছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় উপ-ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল হক সরকার। ফজলুল হক মুসলিম হল ছাত্র সংসদের সহসভাপতি পদে নির্বাচন করে হেরেছেন হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহারিয়ার সিদ্দিক। এফ রহমান হলের ভিপি পদে জয়ী হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলিম খান। এই তিনজনও ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই মাস্টার অব ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রামে ভর্তি হয়েছিলেন। আর এই প্রোগ্রামে একইভাবে ভর্তি হওয়া প্রদীপ চৌধুরী ছিলেন ডাকসুর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তিনি।

সম্পর্কিত সংবাদ

Home Post

নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

আগস্ট ২৫, ২০২৬
Home Post

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

মে ৪, ২০২৬
Home Post

শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

মে ২, ২০২৬

জনপ্রিয় সংবাদ

  • Trademark Web based poker Crazy Expensive diamonds Gambling enterprise Video slot Genuine Imitation Financial

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • বসুন্ধরার মালিকের পরিবারে চাঞ্চল্যকর যত খুন

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে ক্ষুব্ধ আলেম সমাজ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • Have fun with the Best Gambling games During the Gambling establishment Classic

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • পলাশীর যুদ্ধে সিরাজ কেন ইংরেজদের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সাম্প্রতিক সংবাদ

নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

আগস্ট ২৫, ২০২৬

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

মে ৪, ২০২৬

শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

মে ২, ২০২৬

হরমুজ প্রণালি কীভাবে ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রে পরিণত হয়েছে

এপ্রিল ২০, ২০২৬

বেলায়াত-এ-ফকিহ: অর্ধশতাব্দি ধরে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকার মূল শক্তি

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
  • Privacy Policy

© Analysis BD

No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে

© Analysis BD