• যোগাযোগ
রবিবার, অক্টোবর ১৮, ২০২৬
Analysis BD
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে
No Result
View All Result
Analysis BD
No Result
View All Result
Home Home Post

৭১ বছরের চিরযুবার ভাগ্যগুণ!

অক্টোবর ৩, ২০১৯
in Home Post
Share on FacebookShare on Twitter

বৈচিত্র্যপূর্ণ জীবন তাঁর। তামাকের বিকল্প ‘টেন্ডু পাতা’ থেকে শুরু করে তৈরি পোশাকের ব্যবসা করেছেন। কিন্তু ব্যবসা তাঁকে ঋণখেলাপি করেছে। রাজনীতিও তাঁকে হতাশ করেছে লম্বা সময়। বিড়ি শ্রমিক লীগ, জাতীয় পার্টির যুব সংগঠন, আওয়ামী লীগ করেও লম্বা সময় ছিলেন পেছনের কাতারে। তবে যুবলীগ তাঁকে নিয়ে গেছে শীর্ষে। যুবলীগের চেয়ারম্যান হওয়ার পর শোধ করেছেন পুৃৃরোনো ব্যর্থতার দেনা।

ভাগ্যগুণে ওমর ফারুক চৌধুরী এমন সাফল্য পেয়েছেন বলে মনে করছেন যুবলীগের অনেক নেতা। তাঁরা জানান, ২০০৩ সালে যুবলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হন ওমর ফারুক। এর আগের কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য ছিলেন তিনি। ২০০৯ সালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আর ২০১২ সালে হন চেয়ারম্যান। এরপর থেকে যুবলীগে তাঁর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। ক্ষমতাসীন দলের যুব সংগঠনের শীর্ষ পদ পাওয়ার পর সম্পদ নিলামে ওঠার পরিস্থিতি সামলে নিয়েছেন এবং ধনাঢ্য জীবন যাপন করছেন। যদিও তাঁর দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা নেই।

এ নিয়ে সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সমালোচনাও আছে। যুবলীগের একাধিক নেতা জানান, চেয়ারম্যানের সঙ্গে তাঁদের সরাসরি আলাপ করার সুযোগও কম। যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিসুর রহমানের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়। পিয়ন থেকে দপ্তর সম্পাদক হওয়া কাজী আনিসও ‘কমিটি–বাণিজ্য’ করে অনেক বিত্তবৈভবের মালিক হয়েছেন। আনিস এখন পলাতক।

যুবলীগের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এমনই ভাগ্য ওমর ফারুকের, ৬৪ বছর বয়সে হয়েছেন যুবলীগের চেয়ারম্যান। অথচ যুবলীগের ইতিহাসে এর আগে ৫০ বছরের বেশি বয়সী কেউ চেয়ারম্যান হননি। ১৯৭২ সালের ​নভেম্বরে শেখ ফজুলল হক মণি যখন যুবলীগ প্রতিষ্ঠা করেন, তখন তাঁর বয়স ছিল ৩২ বছর।

২০১৭ সালের জাতীয় যুবনীতি অনুসারে, ‘১৮ থেকে ৩৫ বছরের বয়সের যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক যুব হিসেবে গণ্য হবে।’ কিন্তু যুবলীগ চেয়ারম্যানের বর্তমান বয়স ৭১ বছর। তিনি সাত বছর ধরে চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আছেন। যদিও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিন বছর পরপর কমিটি করার কথা। শুধু তিনি নন, যুবলীগের নেতাদের আরও অনেকের বয়স ৬০ পেরিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

ওমর ফারুককে তরুণ বয়স থেকে চেনেন; ঢাকা ও চট্টগ্রামে এমন রাজনীতিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১৯৪৮ সালে জন্ম নেওয়া ওমর ফারুক চৌধুরী সত্তরের দশকে চট্টগ্রাম জেলা বিড়ি শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তখন আওয়ামী লীগের প্রয়াত কেন্দ্রীয় নেতা এস এম ইউসুফ ছিলেন তাঁর রাজনৈতিক মুরব্বি। বিড়ি শ্রমিক লীগের নেতা হয়ে মিয়ানমার থেকে টেন্ডু পাতা আমদানি শুরু করেন ওমর ফারুক। তামাকের বিকল্প এ টেন্ডু পাতা বিড়ির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

এইচ এম এরশাদ ক্ষমতায় আসার সময় ওমর ফারুক শ্রমিক লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। জাতীয় পার্টির প্রয়াত নেতা নাজিউর রহমান (মঞ্জু) এরশাদের মন্ত্রিসভার সদস্য হলে ওমর ফারুক দল বদল করেন। জাতীয় পার্টির অঙ্গসংগঠন যুব সংহতির চট্টগ্রাম উত্তর জেলার রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। ওমর ফারুক চৌধুরী নাজিউর রহমানের ভায়রা ভাই এবং শেখ ফজলুল করিম সেলিমের ভগ্নিপতি।

চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য জামশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, তৎকালীন মন্ত্রী নাজিউর রহমানের উৎসাহে ওমর ফারুক জাতীয় পার্টির যুব সংগঠন যুব সংহতির চট্টগ্রাম উত্তর জেলার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।

এরশাদ সরকারের পতনের পর কিছুদিন নীরব ছিলেন ওমর ফারুক। ১৯৯২ সালে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হলে তিনি সদস্য হন। ১৯৯৭ সালে তিনি উত্তর জেলা কমিটির কোষাধ্যক্ষ হন। ওই কমিটির মেয়াদ ছিল ২০০৪ সাল পর্যন্ত।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম বলেন, ১৯৯২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে উত্তর কমিটিতে সদস্য ও কোষাধ্যক্ষ ছিলেন ওমর ফারুক চৌধুরী।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এরশাদের আমলে যুব সংহতির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর ওমর ফারুকের আয় বাড়তে থাকে। মালিক হন পোশাক কারখানার। ওমর ফারুক চৌধুরী নিজেও গত সোমবার বলেন, তিনি ১৯৮৮ সালে রাউজানে পোশাক কারখানা স্থাপন করেছিলেন, যা পরে চট্টগ্রাম শহরের জুবিলি রোডে স্থানান্তর করেন।

তবে এই ব্যবসা করতে গিয়ে সম্পদ নিলামে ওঠার পরিস্থিতি তৈরি হয় ওমর ফারুকের। ব্যাংকঋণের দায়ে নগরের একটি বাড়ি এবং রাউজানের সুলতানপুর গ্রামের জমি ও ঘর নিলামে ওঠার চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বরে। নিলামে তোলার দিনক্ষণও ধার্য করেছিলেন চট্টগ্রামের অর্থঋণ আদালত। উচ্চ আদালত থেকে স্থগিতাদেশ এনে নিলাম ঠেকান তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৭ সালে সোনালী ব্যাংকের চট্টগ্রামের কে সি দে রোডের শাখা থেকে ওমর ফারুক চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী শেখ সুলতানার নামে থাকা প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাওনিট অ্যাপারেলস ও মেসার্স রাও গার্মেন্টসের নামে ১১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা ঋণ নেওয়া হয়, যা পরে সুদ-আসলে সাড়ে ৪৪ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। টাকা আদায় না করতে পেরে অর্থঋণ আদালতে যায় ব্যাংক।

গত সোমবার সোনালী ব্যাংকের চট্টগ্রামের কে সি দে রোড শাখায় গেলে উপমহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ নুরুন নবী এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ওই দুই প্রতিষ্ঠানের মালিক মোটামুটি অঙ্কের টাকা পরিশোধ করেছেন, কিন্তু মামলা নিষ্পত্তি হয়নি। সুদ মওকুফের জন্য ২০ অক্টোবর পর্যন্ত সুযোগ দিয়েছে সোনালী ব্যাংক। ওমর ফারুক চৌধুরী চাইলে এ সুযোগ নিতে পারেন।

চট্টগ্রামের অর্থঋণ আদালতে সোনালী ব্যাংকের করা মামলা দুটি ১০ বছর ধরে ঝুলে আছে। সোনালী ব্যাংকের আইনজীবী মোহাম্মদ আবুল হাসান বলেন, উচ্চ আদালতে দুই মামলারই কার্যক্রম এখনো স্থগিত রয়েছে। এ কারণে ওমর ফারুকের শহরের বাড়ি এবং গ্রামের জমি ও ঘর নিলামে তোলা যায়নি।

এ বিষয়ে ওমর ফারুক চৌধুরী গত সোমবার বলেন, নানা প্রতিকূলতায় তিনি শিল্পপ্রতিষ্ঠান দুটি দাঁড় করাতে পারেননি। এ জন্য তাঁর ব্যাংক দেনা বাড়ে। তিনি আরও বলেন, সোনালী ব্যাংক এখনো টাকা পাবে। সুদ মওকুফের জন্য আবেদন করা আছে।

সম্পদ নিলামে ওঠার দুই মাস আগেই যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হন ওমর ফারুক চৌধুরী। আওয়ামী লীগও ওই বছরের শুরুতে ক্ষমতায় আসে। পরিস্থিতি বদলাতে থাকে তাঁর। ব্যাংকঋণের একটি অংশ পরিশোধ করেছেন তিনি। কিন্তু এখন আর ওমর ফারুক চৌধুরীর দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা নেই। তিনি গত সোমবার বলেন, ‘আমি আগে পেঁয়াজ, আদা ও গুঁড়া দুধের আমদানিকারক ছিলাম। এখন বন্ধুদের সঙ্গে আমার ব্যবসা আছে।’ অবশ্য কোন বন্ধুদের সঙ্গে কী ব্যবসা করেন, সেটা পরিষ্কার করে বলেননি তিনি।

একাধিকবার দল পরিবর্তন এবং ৭১ বছর বয়সেও যুবলীগের চেয়ারম্যান পদে থাকার বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি। এ বিষয়ে গত মঙ্গলবার দিনভর অনেকবার মুঠোফোনে চেষ্টা করেও ওমর ফারুক চৌধুরীকে পাওয়া যায়নি। তাঁর নিয়মিত কার্যালয় হিসেবে পরিচিত ধানমন্ডির যুব গবেষণা কেন্দ্রে গিয়েও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

এত বয়সেও যুব সংগঠনের নেতৃত্বে থাকাকে ‘রাজনীতিবিদদের কাণ্ডজ্ঞানের সমস্যা’ বলে মনে করেন লেখক ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ। তিনি বলেন, ব্যক্তিকেন্দ্রিক সুবিধাবাদের রাজনীতিতে নিয়মনীতি, সামাজিকতা কিছুই মানা হচ্ছে না। এমনকি বয়সটাও মানা হচ্ছে না। চক্ষুলজ্জাও হারিয়ে ফেলেছে। ৪০ বছরের বেশি কারও কোনোভাবেই যুবলীগের নেতা হওয়া উচিত নয়।

সূত্র: প্রথম আলো

সম্পর্কিত সংবাদ

Home Post

নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

আগস্ট ২৫, ২০২৬
Home Post

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

মে ৪, ২০২৬
Home Post

শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

মে ২, ২০২৬

জনপ্রিয় সংবাদ

  • Trademark Web based poker Crazy Expensive diamonds Gambling enterprise Video slot Genuine Imitation Financial

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে ক্ষুব্ধ আলেম সমাজ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • Have fun with the Best Gambling games During the Gambling establishment Classic

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • পলাশীর যুদ্ধে সিরাজ কেন ইংরেজদের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • হাওর ধ্বংস করে আবদুল হামিদের প্রমোদ সড়ক

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সাম্প্রতিক সংবাদ

নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

আগস্ট ২৫, ২০২৬

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

মে ৪, ২০২৬

শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

মে ২, ২০২৬

হরমুজ প্রণালি কীভাবে ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রে পরিণত হয়েছে

এপ্রিল ২০, ২০২৬

বেলায়াত-এ-ফকিহ: অর্ধশতাব্দি ধরে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকার মূল শক্তি

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
  • Privacy Policy

© Analysis BD

No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে

© Analysis BD