শুক্রবার, জুলাই ২৪, ২০২৬
Analysis BD
No Result
View All Result
No Result
View All Result
Analysis BD
No Result
View All Result
Home Home Post

বর্তমান নির্বাচন কমিশনে বিএনপির আস্থা অনেক কম

অক্টোবর ১৫, ২০১৭
in Home Post, রাজনীতি
Share on FacebookShare on Twitter

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ওপরে তাদের আস্থা অনেক কম।

কারণ বিরোধী দলের মতামতকে উপেক্ষা করে যে প্রক্রিয়ায় এই নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে সেটি তার দলের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।

মি. আলমগীর বলছেন, “নির্বাচন কমিশনে যারা আছেন তাদের অনেকেরই রাজনৈতিক যোগাযোগ আছে বলে আমাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ আছে।”

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপি আজ নির্বাচন কমিশনের কাছে কিছু প্রস্তাব তুলে ধরবে।

মি আলমগীর বলছেন, “আমরা মনে করি এদেশে একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন করার জন্য আমাদের যতগুলো গণতান্ত্রিক পন্থা আছে তার সবগুলোতে আমরা আমাদের বক্তব্য তুলে ধরতে চাই।”

কিন্তু তিনি একই সাথে বলছেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে নির্বাচন কমিশন যে কথাবার্তা বলছেন তা কতটা ফলপ্রসূ হবে সেনিয়ে তার সন্দেহ রয়েছে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে নির্বাচন কমিশনের ধারাবাহিক আলোচনার অংশ হিসেবেই এই সন্দেহের মধ্যেই আজ এই সংলাপে বসতে যাচ্ছে বিএনপি।

বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে নির্বাচনকে সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য এবং অংশগ্রহণমূলক করে তোলার লক্ষ্যে একটি সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং বর্তমান সংসদ ভেঙে দিয়ে নতুন সংসদ নির্বাচনের দাবি জানাবেন তারা।

বিএনপি মহাসচিব বলছেন, “নির্বাচন-কালীন সময়ে যদি একটি নিরপেক্ষ সরকার না থাকে তাহলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান করা সম্ভব নয়। যে কারণে আমরা বলছি একটা সহায়ক সরকারের প্রয়োজন হবে।”

সহায়ক সরকারটি আসলে কি সে প্রশ্নের জবাবে মি আলমগীর বলেন তারা এর একটি রূপরেখা খুব শীঘ্রই প্রকাশ করবেন।

তবে নির্বাচনের আগেই সংসদকে ভেঙে দিতে হবে তেমন দাবি জানান মি আলমগীর।

কিন্তু নির্বাচনের সময় নিরপেক্ষ সরকার ও সংসদ ভেঙে দেয়ার এই সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের নয়। বরং এ দুটো রাজনৈতিক ব্যাপার।

সেনিয়ে মি আলমগীর বলেন, “বাস্তবতাটা বুঝতে হবে যে এই বিষয়গুলি না হলে এখানে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না।”

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন না হওয়ায় গত নির্বাচন বর্জন করেছিলো বিএনপি। দলটি কি কিছুটা হলেও তার অবস্থান থেকে সরে এসেছে?

মি আলমগীর তার জবাবে বলেন যে না তারা তাদের অবস্থান থেকে মোটেও সরে আসেন নি।

বরং তারা পরিষ্কার করে বলছেন, নির্বাচনের সময় নিরপেক্ষ সরকার না থাকলে সেই নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না।

নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় তিনি সেনাবাহিনীকে নিয়োগ করার কথা বলছেন। তিনি বলছেন এটিই বাংলাদেশের সংস্কৃতি।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

সম্পর্কিত সংবাদ

Home Post

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

মে ৪, ২০২৬
Home Post

শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

মে ২, ২০২৬
Home Post

বাংলাদেশে নয়া ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি ও ইতালীয় দার্শনিকের বয়ান

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

Discussion about this post

জনপ্রিয় সংবাদ

  • Trademark Web based poker Crazy Expensive diamonds Gambling enterprise Video slot Genuine Imitation Financial

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • হাসিনার গোলামী করেও রক্ষা পেলোনা এমপি হারুন!

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ৫০ হাজার টাকার বেতনেও চালেনা না সংসার

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • Novoline Book Of Ra Für nüsse Zum besten geben

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • জনাব খন্দকার গোলাম ফারুক, নাকে খত দিন!

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সাম্প্রতিক সংবাদ

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

মে ৪, ২০২৬

শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

মে ২, ২০২৬

হরমুজ প্রণালি কীভাবে ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রে পরিণত হয়েছে

এপ্রিল ২০, ২০২৬

বেলায়াত-এ-ফকিহ: অর্ধশতাব্দি ধরে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকার মূল শক্তি

এপ্রিল ১৯, ২০২৬

বাংলাদেশে নয়া ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি ও ইতালীয় দার্শনিকের বয়ান

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

© Analysis BD

No Result
View All Result

© Analysis BD