• যোগাযোগ
মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬
Analysis BD
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে
No Result
View All Result
Analysis BD
No Result
View All Result
Home Home Post

‘আরসা’ বার্মিজ সেনাদেরই বানানো সংগঠন!

সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৭
in Home Post, আন্তর্জাতিক
Share on FacebookShare on Twitter

আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) সম্পর্কে ধারণা নেই বেশিরভাগ শরণার্থী রোহিঙ্গার। মিয়ানমার সামরিক বাহিনী তাদের রাখাইন থেকে নির্মূল করতেই এই নাম ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের।

জন্মভূমি থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের মতে, রাখাইন এখন মৃত্যুপুরি। সেখানে ফিরে যাওয়া নিয়ে অধিকাংশ শরণার্থীর আগ্রহও নেই।

আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা আরসা নামে একটি সশস্ত্র সংগঠনের নাম আলোচনায় আসে ২০১২ সালে। তবে তারা যে, রোহিঙ্গাদের অধিকার রক্ষায় মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করছে, তার নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া দুষ্কর। রাখাইন ছেড়ে যেসব মানুষ প্রাণ নিয়ে পালিয়ে এসেছেন তাদের কাছে জানতে চাইলে বেশিরভাগ শরণার্থীই বলেন, আরসা সম্পর্কে কিছুই জানা নেই তাদের। রোহিঙ্গাদের ধারণা, সামরিক বাহিনীর নির্যাতন ও তাদেরকে রাখাইন থেকে নির্মূল করতেই বলা হচ্ছে আরসা’র কথা।

বেশ কয়েকজন প্রবীণ রোহিঙ্গা শরনণার্থী জানান, আরসা নামের কোনো সংগঠনের কাউকে তারা কোনোদিন দেখেননি। এদের একজন যমুনা টেলিভিশনকে জানান, ‘ওরা আমাদের ভালোর জন্য কখনো কাজ করে না। আমার পরিচিত কেউ সেখানে নেই।’

আরেকজন বৃদ্ধা বলেন, আরসার কথা শুধু টিভিতেই শুনেছি। ওদের কাউকে আমরা দেখিনি। ওরা হামলা চালিয়েছে এটাও শোনা কথা। কেউ নিজ চোখে কিছু দেখেনি।’

একজন শরণার্থী তরুণ যমুনা টেলিভিশনকে জানান, আরসার নাম দিয়ে সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের অত্যাচার করছে। আরসা ওদেরই বানানো সংগঠন।

এ বিষয়ে নারী-পুরুষ, প্রবীণ-তরুণ নির্বিশেষে যাদের সাথেই কথা বলা হয়েছে তারা আরসা ও এর কর্মকাণ্ড নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে। তাদের ভাষ্য ‘আরসা’ নামে রোহিঙ্গাদের দমন-পীড়ন ও নির্মূলের কৌশল নিয়েছে সেনাবাহিনী।

অবশ্য আরসার ভাষ্য, তারা আরাকানে রোহিঙ্গাদের জাতিগত অধিকার চান সশস্ত্র উপায়ে। কয়েকদিন আগে অস্ত্র বিরতির খবরও প্রকাশ হয়। রোহিঙ্গারা বলছেন, অস্ত্রে বিশ্বাস করলে জন্মভূমি ছেড়ে পালাতেন না তারা।

যতটুকু জানা যায়, ৫০ এর দশকে রোহিঙ্গারা আন্দোলন স্থগিত করে। তখন তাদেরকে নাগরিকত্ব দেয়ার দাবি মেনে নিয়েছিল মিয়ানমার। সুত্র : যমুনা অনলাইন।

সূত্র: যমুনা টিভি অনলাইন

সম্পর্কিত সংবাদ

Home Post

নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

আগস্ট ২৫, ২০২৬
Home Post

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

মে ৪, ২০২৬
Home Post

শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

মে ২, ২০২৬

Discussion about this post

জনপ্রিয় সংবাদ

  • Trademark Web based poker Crazy Expensive diamonds Gambling enterprise Video slot Genuine Imitation Financial

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • গণতন্ত্রের গোলকধাঁধা

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • বসুন্ধরার মালিকের পরিবারে চাঞ্চল্যকর যত খুন

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • সর্বোচ্চ সংখ্যক ইসরাইলি বিমান ভূপাতিত করেছেন যেই বাংলাদেশি

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • সেঞ্চুরিয়ান মানিক ও জাবির সেই সময়ের ঘটনা প্রবাহ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সাম্প্রতিক সংবাদ

নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

আগস্ট ২৫, ২০২৬

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

মে ৪, ২০২৬

শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

মে ২, ২০২৬

হরমুজ প্রণালি কীভাবে ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রে পরিণত হয়েছে

এপ্রিল ২০, ২০২৬

বেলায়াত-এ-ফকিহ: অর্ধশতাব্দি ধরে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকার মূল শক্তি

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
  • Privacy Policy

© Analysis BD

No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে

© Analysis BD