ঢাকা-১৭ আসনে (গুলশান এলাকা) নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করতে চান তৃণমূল বিএনপি ও বাংলাদেশ জাতীয় জোটের (বিএনএ) চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ থেকে ‘কিছুটা’ আশ্বাস পেয়েছেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।
বর্তমানে এই আসনের সাংসদ বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) এস এম আবুল কালাম আজাদ। গতকাল শনিবার প্রথম আলোর এক প্রশ্নের জবাবে নাজমুল হুদা এ কথা বলেন। তাঁর দাবি, তাঁর নিজ এলাকা ঢাকার দোহার-নবাবগঞ্জ আসনটি চাচা আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের জন্য ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বর্তমানে ওই আসনের সাংসদ জাতীয় পার্টির সালমা ইসলাম।
এর আগে গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ‘নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার’ নিয়ে কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনই নির্বাচন করবে। নির্বাচন পরিচালনায় নির্বাচন কমিশন প্রধানমন্ত্রীর অধীনে কাজ করবে না।
আগামী নির্বাচনের সময় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারই ক্ষমতায় থাকবে জানিয়ে নাজমুল হুদা বলেন, তবে নির্বাচনের ওপর ওই সরকারের হস্তক্ষেপ থাকবে না। নির্বাচন কমিশন স্বাধীন কীভাবে—এর ব্যাখ্যা দিয়ে নাজমুল হুদা বলেন, ইচ্ছা করেলই রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনের অন্য কোনো সদস্যকে তাঁদের সুনির্দিষ্ট মেয়াদের আগে চাকরি থেকে অপসারণ করতে পারবেন না। শুধু অসদাচরণ প্রমাণে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের সুপারিশেই একজন নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণ করা যায়। এর অর্থ হচ্ছে সম্পূর্ণ ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে নির্বাচন কমিশন তাদের দায়িত্ব স্বাধীনভাবে পালন করতে পারবে। আর সরকার যাঁর অধীনেই থাকুক না কেন সংবিধান অনুযায়ী সব কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্ব পালনে থাকবেন স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনে, প্রধানমন্ত্রীর অধীনে নয়।
সূত্র: প্রথম আলো
Discussion about this post