• যোগাযোগ
মঙ্গলবার, অক্টোবর ৬, ২০২৬
Analysis BD
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে
No Result
View All Result
Analysis BD
No Result
View All Result
Home Home Post

নারী কমিশনের রিপোর্ট বাতিল করতে হবে

ড. মো: কামরুজ্জামান

এপ্রিল ৩০, ২০২৫
in Home Post, slide, জাতীয়, বিশেষ অ্যানালাইসিস
নারী কমিশনের রিপোর্ট বাতিল করতে হবে
Share on FacebookShare on Twitter
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস দায়িত্ব পাওয়ার পর দেশ পুনর্গঠনে পর্যায়ক্রমে মোট ১৩টি সংস্কার কমিশন গঠন করেন। এ সংস্কার কমিশনের মধ্যে অন্যতম হলো নারী-বিষয়ক সংস্কার কমিশন। এ কমিশন গত ১৯ এপ্রিল প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। ৩১৮ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি ১৭টি অধ্যায়ে ৪৩৩টি সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনটি পূর্ণাঙ্গভাবে এখনো জনসমক্ষে প্রকাশিত হয়নি। গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত মোটাদাগের কয়েকটি বিষয় আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

প্রকাশিত এ প্রতিবেদন নিয়ে নানা মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। প্রথম দৃষ্টিতে এটি একটি ‘উন্নয়নমুখী’ ও ‘অধিকারবান্ধব’ দলিল মনে হতে পারে। তবে গভীর বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, দেশের সামাজিক রীতিনীতি, বিধি-বিধান ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে অশ্রদ্ধা করেই এ সুপারিশগুলো প্রণয়ন করা হয়েছে। যা বাস্তবতাবিবর্জিত এবং পশ্চিমা চিন্তার অন্ধ অনুকরণেরই প্রতিফলন বলেই আমি মনে করি। প্রতিবেদনের অনেক সুপারিশ ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করেই প্রণয়ন করা হয়েছে। বিশেষত ইসলাম ধর্মের বিধান ও রীতিনীতিকে সামাজিক উন্নয়নের ‘বাধা’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অথচ বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। যে দেশের সংবিধানের শুরুতে ইসলামের মর্যাদা নিশ্চিত করা হয়েছে। এখানে ইসলামী পারিবারিক আইন দীর্ঘদিন ধরে সমাজে কার্যকর রয়েছে যা সামাজিক স্থিতিশীলতার অন্যতম স্তম্ভ। প্রস্তাবিত সুপারিশে এই স্তম্ভ ভেঙে দিয়ে নারীর ক্ষমতায়ন ও তাদের উন্নয়নের নামে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও দায়িত্বগত পার্থক্যকে উপেক্ষা করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে ইসলামের উত্তরাধিকার আইন, তালাক ও খোরপোষ-বিষয়ক প্রস্তাবগুলোকে সামাজিক উন্নয়নের প্রতিবন্ধক বলে উল্লেখ করেছে। যা স্পষ্টত ইসলামী পারিবারিক আইনের সাথে সাংঘর্ষিক। সুতরাং কমিশন প্রস্তাবিত বিষয়টি ইসলাম ধর্মকে অবজ্ঞা করে প্রণয়ন করা হয়েছে। ধর্মীয় বিধানকে ব্যাকডেটেড মনে করা হয়েছে। ফলে প্রকাশিত এ ফলাফল দেশের সব ধর্মের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে। প্রকাশিত এ প্রতিবেদনের কারণে জনমনে অস্থিরতা ও সামাজিক বিশৃঙ্খলা জন্ম দেয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিবেদনে খামাখাই একজন নারীকে একজন পুরুষের শত্রুরূপে চিত্রায়ন করা হয়েছে। নারীকে পুরুষের ‘প্রতিযোগী’ ও ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ হিসেবে উপস্থাপন করে তসলিমা নাসরিনের মতো সমাজে পুরুষবিদ্বেষ প্রকাশ করা হয়েছে। অথচ নারী এবং পুরুষ একে অপরের প্রতিযোগী কিংবা প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; বরং সৃষ্টিগতভাবে তারা একে অপরের সহযোগী ও পরিপূরক। বাংলার সমাজজীবন তার বাস্তব উদাহরণ। বাংলার প্রত্যেকটি সংসারে বাবা এবং মাকে আমরা প্রতিদ্বন্দ্বী কিংবা প্রতিযোগী হিসেবে দেখি না। আমরা দেখি বাবা-মা একে অপরের সুখ-দুঃখের সাথী। সন্তানের পরম কল্যাণকামী বাবা-মা দু’জনেই তাদের জন্য আত্মোৎসর্গকারী। প্রস্তাবিত এ সুপারিশ এ পরম শান্তির সংসারের মূলে কুঠারাঘাত করেছে। তারা প্রতিবেদন তৈরির সময় গ্রাম বাংলাকে উপেক্ষা করে শুধু শহরকেই প্রাধান্য দিয়েছে। ফলে বাংলাদেশের সামাজিক ভারসাম্যের জন্য এ প্রতিবেদন মারাত্মক হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে। মূলত এই সুপারিশটি পাশ্চাত্য সভ্যতাকে অনুসরণ করেই প্রণয়ন করা হয়েছে।

আমরা সবাই জানি, ইউরোপ, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়াতে পারিবারিক কাঠামো বলতে কিছুই নেই। নারীকে পুরুষের সামনে প্রতিযোগী হিসেবে দাঁড় করানোর কারণেই তাদের সমাজে পারিবারিক কাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট কমিশন এখন সেটিই বাংলাদেশে আমদানি করতে চাইছে। মূলত তারা নারীকে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে, ‘স্বাধীনতা’র নামে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে মুক্ত করে মা, স্ত্রী, কন্যা ইত্যাদি পরিচিতিগুলোর বিলোপ চাইছে। যা বাংলাদেশের জনগণ কোনোভাবেই মেনে নেবে না। পাশ্চাত্যের পৃথিবীতে ছেলে কিংবা মেয়ে যখন ১৮ বছর বয়সে উপনীত হয় তখন তারা স্বাধীনভাবে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ উপলক্ষে বাবা-মা একটি বড় পার্টির আয়োজন করে। আনুষ্ঠানিকভাবে ওই সন্তানটি পরিবার ছেড়ে চলে যায়। মূলত বাংলাদেশে বিশেষ একটি মহল বহুদিন ধরে এ জাতীয় কালচার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করে যাচ্ছে। তাদের এ প্রচেষ্টা নতুন নয়; বরং বহুদিনের। ডক্টর ইউনূস সরকারের আমলে তারা এটি ইউনূসকে দিয়েই বাস্তবায়ন করাতে চায়।

প্রকাশিত প্রতিবেদন তৈরির পেছনে দেশের একটি ‘সেক্স ওয়ার্কার্স নেটওয়ার্ক’ প্রবলভাবে কাজ করেছে। দেশে একটি ‘সেক্স ওয়ার্কার্স নেটওয়ার্ক’ নামের অ্যাসোসিয়েশন রয়েছে। বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে অ্যাসোসিয়েশনের সভানেত্রী হিসেবে আলেয়া আক্তার লিলির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদন প্রণয়নে এ সভানেত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করা হয়েছে মর্মে বিভিন্ন সূত্র উল্লেখ করেছে। এ কমিশন তাদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে এ প্রতিবেদনগুলো তৈরি করেছে। এই অ্যাসোসিয়েশনের বক্তব্য হলো বাংলাদেশের সংবিধান ১৮ বছর বয়সী যেকোনো নারী এবং পুরুষকে ইচ্ছামতো তাদের পেশা বেছে নেয়ার অধিকার দিয়েছে। এই অধিকারবলে আমরা যৌন পেশাকে বেছে নিয়েছি। তাদের দাবি অনুযায়ী, দেশে প্রায় দুই লাখ যৌনকর্মী রয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের সংবিধান তাদেরকে যৌন পেশার বৈধতা দিয়েছে। সুতরাং তারা এদেশের শ্রমিক হিসেবে গণ্য হবে এবং শ্রমিক হিসেবে তাদের সাংবিধানিক অধিকার দিতে হবে!

প্রতিবেদনটিতে স্পষ্টভাবে নারীবাদী (ফেমিনিস্ট) চেতনার প্রতিফলন দেখা যায়। যেখানে পুরুষকে নারীর অধিকার ‘হরণকারী’ হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে এবং নারীর উন্নয়ন বলতে বোঝানো হয়েছে পুরুষের ভূমিকাকে পেছনে ফেলে নারীর সামনে এগিয়ে যাওয়া। অথচ ইসলাম নারীকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে। পুরুষের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নয়; বরং নিজ নিজ ভূমিকায় সেরা হওয়ার সুযোগ দিয়েছে। নারীর শিক্ষা, কর্ম, নিরাপত্তা, সম্পত্তির মালিকানা সব কিছুই ইসলামে নিশ্চিত করা হয়েছে। কিন্তু তারা এখানে ধর্মকে পাশ কাটিয়ে পাশ্চাত্য কালচারকে আমদানি করতে চাইছে। প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে নারীবাদী মতবাদকে নীতির মূলে বসানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে যা পুরুষবিদ্বেষ ও পক্ষপাতদুষ্ট দৃষ্টিভঙ্গিরই বহিঃপ্রকাশ। প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সংসদীয় আসন ৬০০টিতে উন্নীত করার সুপারিশ করা হয়েছে এবং ৩০০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষণ রাখতে বলা হয়েছে।

সবশেষে বলব, কমিশনটি ১০ জন নারীর সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে। যাদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে ধর্মবিদ্বেষ ও অন্যান্য বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। যারা সবাই ধর্মহীনতাকেই প্রমোট করে। যে দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ মুসলিম, সেই মুসলিমদের বিশ্বাস এবং চিন্তার প্রতিনিধিত্ব তারা করে না। তাদের অনুসৃত কিছু নারীবাদীর সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে রিপোর্টটি তৈরি করেছে। যেখানে অধিকাংশ মানুষের চিন্তা-চেতনার প্রতিফলন ঘটেনি। সুতরাং রিপোর্টটি বাস্তবতা-বিবর্জিত ও একপেশে। সুতরাং সরকারের কাছে আমাদের দাবি, ধর্ম ও গণবিরোধী এ প্রতিবেদন বাতিল করতে হবে। ধর্মপ্রাণ বুদ্ধিজীবী সমন্বয়ে কমিটি পুনর্গঠন করতে হবে। অন্যথায় সম্পূর্ণ প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ পেলে দেশে মারাত্মক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে।

লেখক : অধ্যাপক, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া

সম্পর্কিত সংবাদ

Home Post

নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

আগস্ট ২৫, ২০২৬
Home Post

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

মে ৪, ২০২৬
Home Post

শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

মে ২, ২০২৬

Discussion about this post

জনপ্রিয় সংবাদ

  • Trademark Web based poker Crazy Expensive diamonds Gambling enterprise Video slot Genuine Imitation Financial

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • বাংলাদেশে নয়া ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি ও ইতালীয় দার্শনিকের বয়ান

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • কোটাবিরোধী আন্দোলন : ছাত্র সংগঠনগুলোর অবস্থান কী?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • সিরাজ সিকদার খুন : ক্রসফায়ার প্রবর্তনের দিন

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সাম্প্রতিক সংবাদ

নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

আগস্ট ২৫, ২০২৬

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

মে ৪, ২০২৬

শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

মে ২, ২০২৬

হরমুজ প্রণালি কীভাবে ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রে পরিণত হয়েছে

এপ্রিল ২০, ২০২৬

বেলায়াত-এ-ফকিহ: অর্ধশতাব্দি ধরে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকার মূল শক্তি

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
  • Privacy Policy

© Analysis BD

No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে

© Analysis BD