• যোগাযোগ
সোমবার, অক্টোবর ১২, ২০২৬
Analysis BD
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে
No Result
View All Result
Analysis BD
No Result
View All Result
Home জাতীয়

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ছে প্রায় দ্বিগুণ!

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৮.২৫ থেকে বেড়ে হবে ১৪.৬৮ টাকা!

জানুয়ারি ২১, ২০২৪
in জাতীয়, বিশেষ অ্যানালাইসিস
গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ছে প্রায় দ্বিগুণ!
Share on FacebookShare on Twitter

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক 

বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি শূন্যে নামাতে বাল্ক মূল্যহার প্রায় ৮০ দশমিক ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। আগামী মাস থেকেই তা কার্যকরের প্রস্তাব করা হয়েছে। এজন্য চারটি বিকল্প প্রস্তাব বিদ্যুৎ বিভাগে জমা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাল্ক মূল্যহার বৃদ্ধির ফলে বিতরণ কোম্পনি ও সংস্থাগুলোর লোকসান শূন্যে নামাতে গ্রাহক পর্যায়েও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে পিডিবি।

সম্প্রতি এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়। এতে বলা হয়েছে, বিতরণ কোম্পানি ও সংস্থাগুলোর বর্তমান গড় ট্যারিফ আট টাকা ২৫ পয়সা। তবে বিদ্যমান বাল্ক (ছয় টাকা ৭০ পয়সা) ট্যারিফে ভারিত গড়ে তারা ৫৫ পয়সা বা ছয় দশমিক ৬১ শতাংশ ঘাটতিতে রয়েছে। এর সঙ্গে বাল্ক মূল্যহার বৃদ্ধি করলে তাদের লোকসান আরও অনেক বৃদ্ধি পাবে। তাই লোকসান শূন্যে নামিয়ে আনতে বাল্কের পাশাপাশি খুচরা পর্যায়েও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করতে হবে। পিডিবি’র পরিকল্পনায় তা হবে ১৪ টাকা ৬৮ পয়সা।

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্যহার বৃদ্ধির প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ভর্তুকি শূন্যে নামাতে বাল্ক মূল্যহার ছয় টাকা ৭০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১২ টাকা ১১ পয়সা করতে হবে। এর সঙ্গে বিতরণ লস, বিতরণ কোম্পানিগুলোর পরিচালন ব্যয়সহ অন্যান্য ব্যয় যুক্ত করলে খুচরা মূল্যহার ভারিত গড়ে ১৪ টাকা ৬৮ পয়সা করতে হবে। এতে বিতরণ কোম্পানিগুলোর লোকসান শূন্য হবে। এজন্য গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্যহার গড়ে ছয় টাকা ৪৩ পয়সা বা প্রায় ৭৮ শতাংশ বৃদ্ধি করতে হবে।

প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, বাল্ক মূল্যহার বৃদ্ধিতে প্রস্তাব কার্যকর করলে ভর্তুকি শূন্যে নামাতে ফেব্রুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতি মাসে পাঁচ শতাংশ হারে বাল্ক মূল্যহার বাড়াতে হবে। এতে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে বিদ্যুৎ খাতে কোনো ভর্তুকি দিতে হবে না। এক্ষেত্রে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যমান ঘাটতি পূরণসহ মূল্যহার ফেব্রুয়ারিতে ১১ শতাংশ বাড়াতে হবে। এরপর মার্চ থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চার শতাংশ হারে এবং ডিসেম্বরে ১০ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করতে হবে।

বাল্ক মূল্যহার বৃদ্ধিতে দ্বিতীয় প্রস্তাব কার্যকর করা হলে ভর্তুকি শূন্যে নামাতে ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত প্রতি মাসে ১০ শতাংশ হারে বাল্ক মূল্যহার বাড়াতে হবে। এতে আগস্ট থেকে আর ভর্তুকি লাগবে না। সেক্ষেত্রে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যমান ঘাটতি পূরণসহ ফেব্রুয়ারিতে ১৫ শতাংশ দাম বাড়াতে হবে। এরপর মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত ৯ শতাংশ হারে এবং জুলাইয়ে ১১ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করতে হবে।

বাল্ক মূল্যহার বৃদ্ধির তৃতীয় প্রস্তাব কার্যকর করলে ভর্তুকি শূন্যে নামাতে ফেব্রুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত তিন মাস পরপর বাল্ক মূল্যহার ১৬ শতাংশ হারে বাড়াতে হবে। অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির পর মে, আগস্ট ও নভেম্বরে বিদ্যুতের বাল্ক মূল্যহার বাড়াতে হবে। এতে নভেম্বর থেকে আর ভর্তুকি লাগবে না বিদ্যুতে। এতে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যমান ঘাটতি পূরণসহ ফেব্রুয়ারিতে ২১ শতাংশ এবং মে, আগস্ট ও নভেম্বরে ১৪ শতাংশ হারে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করতে হবে।

আর বাল্ক মূল্যহারের চতুর্থ প্রস্তাব কার্যকর করলে ফেব্রুয়ারিতে ৪০ ও জুলাইতে ৩০ শতাংশ বাড়াতে হবে বাল্ক মূল্যহার। এতে জুলাই থেকে ভর্তুকি শূন্যে নামবে। এক্ষেত্রে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যমান ঘাটতি পূরণসহ ফেব্রুয়ারিতে ৪২ শতাংশ ও জুলাইতে ২৫ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করতে হবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে শেয়ার বিজকে বলেন, পিডিবির চার বিকল্প যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও কম ঝুঁকিপূর্ণ হলো প্রথম প্রস্তাবটি। কারণ প্রতি মাসে পাঁচ শতাংশ হারে বাল্ক মূল্যহার বাড়লে গ্রাহক পর্যায়ে চাপ কম পড়বে। তবে এটি বাস্তবায়ন জটিল। কারণ প্রতি মাসে মূল্যহার বৃদ্ধি করলে গ্রাহকদের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হবে।

তাদের মতে, সবচেয়ে কার্যকর প্রস্তাব হচ্ছে চতুর্থটি। কারণ এতে মাত্র দুবার মূল্য বৃদ্ধির চাপ পড়বে। তবে ফেব্রুয়ারিতে একবারে ৪২ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধির ঝুঁকিও রয়েছে। গ্রাহকদের পাশাপাশি সার্বিক অর্থনীতিতেও এ মূল্যবৃদ্ধির নেতিবাচক চাপ পড়বে। তাই কোন প্রক্রিয়ায় বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করা হবে, তা সব দিক বিবেচনা করে দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সম্পর্কিত সংবাদ

slide

বেলায়াত-এ-ফকিহ: অর্ধশতাব্দি ধরে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকার মূল শক্তি

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
Home Post

বাংলাদেশে নয়া ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি ও ইতালীয় দার্শনিকের বয়ান

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
Home Post

বাঙালি মুসলমানের পহেলা বৈশাখ; শেকড়ের সন্ধানে, পরিচয়ের উদ্‌যাপনে

এপ্রিল ১৩, ২০২৬

Discussion about this post

জনপ্রিয় সংবাদ

  • Trademark Web based poker Crazy Expensive diamonds Gambling enterprise Video slot Genuine Imitation Financial

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • বাংলাদেশে নয়া ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি ও ইতালীয় দার্শনিকের বয়ান

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • সিরাজ সিকদার খুন : ক্রসফায়ার প্রবর্তনের দিন

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • বসুন্ধরার মালিকের পরিবারে চাঞ্চল্যকর যত খুন

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সাম্প্রতিক সংবাদ

নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

আগস্ট ২৫, ২০২৬

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

মে ৪, ২০২৬

শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

মে ২, ২০২৬

হরমুজ প্রণালি কীভাবে ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রে পরিণত হয়েছে

এপ্রিল ২০, ২০২৬

বেলায়াত-এ-ফকিহ: অর্ধশতাব্দি ধরে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকার মূল শক্তি

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
  • Privacy Policy

© Analysis BD

No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে

© Analysis BD