• যোগাযোগ
মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
Analysis BD
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে
No Result
View All Result
Analysis BD
No Result
View All Result
Home Home Post

ভারতের নির্দেশে কাশ্মিরি শিক্ষার্থীদের ভিসা বন্ধ করল বাংলাদেশ!

জানুয়ারি ১১, ২০২০
in Home Post, slide, জাতীয়, বিশেষ অ্যানালাইসিস
Share on FacebookShare on Twitter

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

ভারতের নির্দেশনায় হঠাৎ করেই কাশ্মিরি শিক্ষার্থীদের ভিসা বন্ধ করে দিয়েছে বাংলদেশ সরকার। ভারতের অন্যান্য রাজ্যের শিক্ষার্থীরা কোনো সমস্যা ছাড়াই বাংলাদেশে প্রবেশ করার ভিসা পেলেও পাচ্ছে না কাশ্মিরি শিক্ষার্থীরা।  প্রায় ৩৫০ কাশ্মিরি মেডিক্যাল শিক্ষার্থী এক মাস ধরে দিল্লি, কোলকাতা, গৌহাটি ও আগরতলায় আটকা পড়ে আছে। ইংরেজী অনলাইন সংবাদ মাধ্যম সাউথ এশিয়ান মনিটরে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

বাংলাদেশে মেডিক্যাল শিক্ষার জন্য ছাত্রদের পাঠানোর কাজে জড়িতরা বলছে, ভিসা পেতে দীর্ঘ বিলম্বের কারণে তারা সমস্যায় পড়েছে। কারণ ওই কোর্সের জন্য অর্থ পরিশোধকারী অভিভাবকেরা এখন পরিশোধিত অর্থ ফেরত চাইছেন বলে ঐ প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়।

নিজের ও তার প্রতিষ্ঠানের পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে একটি এডুকেশনাল কনসাল্টেন্সির ম্যানেজার সাউথ এশিয়ান মনিটরের প্রতিবেদক সুবীর ভৌমিকে বলেন, ছেলেমেয়েরা মধ্য ডিসেম্বর থেকে দিল্লি, কলকাতা, গৌহাটি ও এমনকি আগরতলার হোটেলগুলোতে বসে আছে। সাধারণত কাশ্মিরি শিক্ষার্থীরা দিল্লির বাংলাদেশ হাই কমিশনে ভিসার জন্য আবেদন করে। কিন্তু চলতি বছর আমাদেরকে বলা হয়েছে যে সমমানের সনদপত্র দিলেই কেবল ভিসা দেয়া হবে।

খারাপ পরিণতির আশঙ্কায় পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, কিন্তু তবুও লিখুন, কারণ আমাদের শিক্ষার্থীরা বেপরোয়া। বাংলাদেশের কূটনীতিকরা ভারতের অন্যান্য রাজ্যের ছাত্রদের ভিসা দিচ্ছে। কিন্তু আমাদেরকে তারা বলছেন যে কাশ্মিরি শিক্ষার্থী নিয়ে কিছু সমস্যা আছে।

ভারতের নির্দেশনায় কাশ্মিরি মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের ভিসা দিচ্ছে না বাংলাদেশ!

এর আগে প্রায় ২০ জনের মতো কাশ্মিরি শিক্ষার্থীকে ভিসা দেয়া হয়। তারা এখন বাংলাদেশের মেডিক্যাল কলেজ গুলোতে যোগ দিযেছে। হঠাৎ করেই ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে ভারত সরকারের নির্দেশনাতেই কাশ্মিরি শিক্ষার্থীদের ভিসা দেয়া বন্ধ করেছে বাংলাদেশ বলে জানিয়েছেন অন্য একটি এডুকেশনাল কনসাল্টেন্সি ম্যানেজার

তিনি বলেন, গৌহাটিতে বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশনার দীর্ঘ দিনের ছুটিতে রয়েছেন। ফলে গত দুদিন ধরে আগরতলা মিশনের সহকারী হাই কমিশনার কিরিটি চাকমা রয়েছেন গৌহাটিতে।

পরিচয় প্রকাশ না করার ব্যাপারে আবারো শর্ত দিয়ে ওই ম্যানেজার বলেন, তিনি অন্যান্য শিক্ষার্থীর ভিসা পেয়েছেন। কিন্তু ১৫ জন কাশ্মিরি ছাত্রের ভিসা আবেদন আটকে আছে। এসব শিক্ষার্থী গৌহাটি থেকে আবেদন করেছিল। তাদেরকে বলা হয়েছে, দিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশন ভিসা দিচ্ছে না। চাকমা বলেন, এসব ভিসা ইস্যু করার এখতিয়ার তার নেই।

ওই ম্যানেজার বলেন, আমাদের অর্থ ফুরিয়ে যাচ্ছে। এসব ছেলেমেয়ে মধ্য ডিসেম্বর থেকে হোটেলে আছে। তাদের সাথে অনেক অভিভাবকও আছেন। আমরা সবাই বড় ধরনের অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছি।

ভারতে বাংলাদেশের মিশন সাধারণত শিক্ষা ভিসার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সমমানের সনদপত্র চেয়ে থাকে। এর অর্থ হলো, বাংলাদেশের সমমানের সনদপত্র তাদের দিতে হবে।

আরেকটি এডুকেশনাল কনসালটেন্সির মালিক বলেন, কিন্তু সাধারণ কাশ্মির থেকে অন্তত ৬০০ ছাত্র ও অন্যান্য রাজ্য থেকে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী বাংলাদেশে যায় মেডিক্যাল পড়াশোনা করতে। ভারতীয় সনদপত্রের মান সম্পর্কে মিশন জানে। এ কারণে তারা সমমানের সনদপত্রের ওপর জোর দেয়া থেকে বিরত থাকছে।

দিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনের প্রেস সেক্রেটারি ফারিক হোসাইন সিনিয়র কাশ্মিরি সাংবাদিক আলতাফ হোসাইনকে বলেন, কাশ্মিরি শিক্ষার্থীদের ভিসা না দেয়ার কোনো নীতি নেই। তিনি বলেন, কারিগরি কারণে ভিসা পেতে বিলম্ব হতে পারে। তবে বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়নি।

কলকাতার এক বাংলাদেশী কূটনীতিক পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ধরে নেয়া হয় যে কাশ্মিরি শিক্ষার্থীরা দিল্লিতে হাই কমিশনে আবেদন করবে। আমাদের মিশনের এলাকাগত কড়াকড়ি রয়েছে।

ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশ জনপ্রিয় গন্তব্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছ। ভুটানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী পেশাগতভাবে চিকিৎসক। তিনি ২০০১ সালে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ থেকে গ্রাজুয়েট হন। পরে তিনি ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি থেকে সার্জারিতে পোস্ট-গ্রাজুয়েট ডিগ্রি নেন।

স্মাইল কনসালটেন্সির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে যে ভারতের কঠিন ভর্তি পরীক্ষা থাকায় কিংবা ভারতের বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোতে ফি অনেক বেশি হওয়ায় বাংলাদেশ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি ভারতীয়দের জন্য ক্রমবর্ধমান হারে আকর্ষণীয় হয়ে ওঠছে।

এতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশের মেডিক্যাল শিক্ষার মান ভারতের সমমানের। উভয় দেশেই এমবিবিএস প্রগ্রাম চলে ইংরেজিতে। পাঠ্য বইগুলোও একই। নিজ রাজ্যে কাশ্মিরি ছাত্রদের চিকিৎসা শিক্ষা পাওয়ার সুযোগ সীমিত। এর ফলে তাদের কাছে ভারতের অন্যান্য রাজ্য ছাড়াও বাংলাদেশ হয়ে ওঠছে আকর্ষণীয় স্থান।

সম্পর্কিত সংবাদ

Home Post

নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

আগস্ট ২৫, ২০২৬
Home Post

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

মে ৪, ২০২৬
Home Post

শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

মে ২, ২০২৬

জনপ্রিয় সংবাদ

  • নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • বাংলাদেশে নয়া ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি ও ইতালীয় দার্শনিকের বয়ান

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • সিরাজ সিকদার খুন : ক্রসফায়ার প্রবর্তনের দিন

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • Trademark Web based poker Crazy Expensive diamonds Gambling enterprise Video slot Genuine Imitation Financial

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ভাষা আন্দোলন ও এর ঘটনা প্রবাহ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সাম্প্রতিক সংবাদ

নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

আগস্ট ২৫, ২০২৬

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

মে ৪, ২০২৬

শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

মে ২, ২০২৬

হরমুজ প্রণালি কীভাবে ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রে পরিণত হয়েছে

এপ্রিল ২০, ২০২৬

বেলায়াত-এ-ফকিহ: অর্ধশতাব্দি ধরে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকার মূল শক্তি

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
  • Privacy Policy

© Analysis BD

No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে

© Analysis BD