সোমবার, মে ২৫, ২০২৬
Analysis BD
No Result
View All Result
No Result
View All Result
Analysis BD
No Result
View All Result
Home slide

মুক্তিযোদ্ধার ‘স্বীকৃতি’ পেতে মরিয়া ক্ষমতাসীনদের মন্ত্রী এমপিরা

মে ৩০, ২০২২
in slide, বিশেষ অ্যানালাইসিস
Share on FacebookShare on Twitter

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা নিয়ে বিতর্ক বহুদিনের। স্বাধীনতার ৫০ বছরে অন্তত সাতবার মুক্তিযোদ্ধা তালিকা সংযোজন-বিয়োজন হয়েছে। আর মুক্তিযোদ্ধার বয়স, সংজ্ঞা ও মানদণ্ড পাল্টেছে ১১ বার। তবুও চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের বিষয়ে ক্ষমতাসীনরা বিভিন্ন সময়ে প্রতিশ্রুতি দিলেও পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করতে পারেনি। সবশেষে ২৬ মার্চের মধ্য চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করার কথা থাকলেও কথা পাল্টায় মন্ত্রী।

বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ২৬ মার্চ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে আসলেও এখন তিনি বলছেন তালিকা আগে থেকেই ওয়েবসাইটে রয়েছে৷ তবে ওয়েবসাইটে যে তালিকা রয়েছে তা নিয়ে বিতর্ক চলছেই। ঘোষনা না দিয়ে এমনভাবে তালিকা প্রকাশও নেতিবাচক বলে মনে করছেন অনেকেই।

প্রশ্ন উঠেছে এতবার তালিকা সংযোজন-বিয়োজন করাকি আসলে কোন জটিলতা নাকি সরকারে খামখেয়ালিপনা? গত কয়েক বছরে দেখা গেছে ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী এমপিরা বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হতে গিয়ে ধরা এক মন্ত্রী, অন্যজনের স্বীকৃতি প্রশ্নবিদ্ধ

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় নাম লেখাতে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দুজন মন্ত্রী গত বছর জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে (জামুকা) আবেদন করেছিলেন। জামুকা নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে ‘বিশেষ বিবেচনায়’ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমকে বীর মুক্তিযোদ্ধার ‘স্বীকৃতি’ দিয়েছে। অন্যদিকে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা দাবি করে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল যে আবেদন জামুকার কাছে করেছিলেন, যাচাই–বাছাইয়ের পর তা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।

তবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমকে বীর মুক্তিযোদ্ধার ‘স্বীকৃতি’ কিভাবে পেলো তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।

উইকিপিডিয়ার তথ্য বলছে, ১৯৬২ সালে জন্মগ্রহণ করা রেজাউল  ১৯৭৭ সালে বরইবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে এস এস সি, ১৯৭৯ সালে এইচ.এস.সি সবশেষে ১৯৮৩ সালে এলএল.বি ডিগ্রী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এম.এস.এস ডিগ্রী অর্জন করেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে জন্মগ্রহনের ৮ বছরের মাথায় মুক্তিযোদ্ধায় কিভাবে অংশ নেন মন্ত্রী?

২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী, ১৯৭১ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত কারও বয়স ন্যূনতম ১২ বছর ৬ মাস না হলে তাঁকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিবেচনা করা হবে না। তাহলে রেজাউল করিমকে কীভাবে এ স্বীকৃতি দেওয়া হলো, তা নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন ওঠার পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারীতে বিষয়টি নতুন করে যাচাই–বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জামুকা। কিন্তু ৪ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনও কোন তৎপরতা দেখা যায়নি কাউন্সিলটির।

অন্যদিকে, ভুয়া তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। কিন্তু তার দেয়া তথ্য সঠিক না হওয়ায় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল বাতিল ঘোষণা করে।

অর্থমন্ত্রীর সম্মান নষ্ট হবে-এমন আশঙ্কা থেকে বিষয়টিকে গোপন করে রাখে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়। অর্থমন্ত্রী ভুয়া তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার চেষ্টা করেছেন এমন খবর প্রকাশ হলে সরকারের ভাবমূর্তিও নষ্ট হবে বলেই বিষয়টি গোপন রাখা হয়। তবে বিষয়টি তারা সরকারের উচ্চপর্যায়ে জানানো হয়েছে বলে সূত্রটি নিশ্চিত করে।

এদিকে এ খবর প্রকাশ হওয়ার পর সরকারের ভেতরেও এটা নিয়ে আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে। রাজনৈতিক অঙ্গনেও চলে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। বিষয়টি নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে। সে সময় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামালের পদত্যাগেরও দাবি ওঠে।

১৯৭১ সালের ২ এপ্রিল যশোরে মার্চ করছেন মুক্তিযোদ্ধারা

তালিকায় নাম লেখাতে মন্ত্রী এমপিদের দৌড়ঝাপ

স্বাধীনতার ৫০ বছর পর বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পেতে দৌড়ঝাপ থেমে নেই ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের। ৭১ সালে যারা জন্মগ্রহণ করেনি তারাও বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধা। সারাদেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও আওয়ামীপন্থী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দেদারসে মুক্তিযুদ্ধা সনদ পাচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধাদের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করার জন্য ১ যুগ ধরে আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতা কর্মী ভুয়া তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়েছে। ইতিমধ্যে অনেক আওয়ামী লীগ নেতা ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল হয়েছে।

গেল বছর আবেদনকারী ব্যক্তিদের মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ দুজন সাংসদও রয়েছেন। তাঁরা হলেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান এবং ঢাকা-১১ আসনের সাংসদ এ কে এম রহমতুল্লাহ। এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খাজা মিয়া তাঁর প্রয়াত বাবা সোহরাব হোসেনের নাম বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে আবেদন করেছেন। এই তিনজনের মধ্যে ফারুক খানের নাম বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত করতে গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে জামুকার ৭২তম সভায় সিদ্ধান্ত হয়। তবে তাঁকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এখন জামুকা সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটনের স্বার্থে ফারুক খানের বিষয়ে সেনাসদরের মতামত নেওয়া হবে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি জামুকার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

জামুকা সূত্র জানায়, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল তাঁর নাম বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্তির জন্য যে আবেদনটি করেন, তার ওপর গত বছরের অক্টোবরে জামুকার ৭৭তম বৈঠকে পর্যালোচনা হয়। আবেদনে বলা হয়, তিনি ১৯৭১ সালে সিরাজগঞ্জ জেলায় অবস্থান করে সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এ আবেদনের সঙ্গে তিনজন সহযোদ্ধার প্রত্যয়নও যুক্ত করা হয়। ওই বৈঠকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আ হ ম মুস্তফা কামালের আবেদনটি জামুকার বিশেষ উপকমিটিতে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। আবেদনটি পর্যালোচনা করে উপকমিটি পর্যবেক্ষণ দিয়েছে তিনি ‘মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণিত নন’। উল্লেখ্য, অর্থমন্ত্রীর জন্ম ১৯৪৭ সালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার বাগমারা ইউনিয়নে।

একই উপকমিটি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সচিব খাজা মিয়ার বাবা সোহরাব হোসেনকেও বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত ৩ জানুয়ারি এ পর্যবেক্ষণে সই করেছেন বিশেষ উপকমিটির সভাপতি ও জামুকার সদস্য সাংসদ মোতাহার হোসেন, জামুকার সদস্য সাংসদ শহীদুজ্জামান সরকার এবং জামুকার আরেক সদস্য মেজর (অব.) ওয়াকার হাসান বীর প্রতীক।

বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দুই মন্ত্রী ও সাংসদের আবেদনের বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক (পদাধিকারবলে জামুকার চেয়ারম্যানও) প্রথম আলোকে বলেন, প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খানের মুক্তিযোদ্ধা গেজেটভুক্তির বিষয়ে জামুকার সুপারিশের বিষয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন অনেকে। এ জন্য তাঁদের বিষয়ে আরেকটু যাচাই–বাছাই করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর অর্থমন্ত্রীর আবেদনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘উপকমিটি যাচাই–বাছাই করে যা পেয়েছে, তাই বলেছে। তিনি মুক্তিযোদ্ধা নন, এটা তারা আমাকে জানিয়েছে। আর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সচিবের বাবার বিষয়ে দুবার আবেদন করলেও মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার সত্যতা না পাওয়ায় তাঁকে গেজেটভুক্ত করা হয়নি। আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে।’

২৬ মার্চ মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করার কথা থাকলেও কথা পাল্টান মন্ত্রী

গত এক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলে আসছিলেন ২৬ মার্চ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হবে৷ তবে এখন তিনি বলছেন তালিকা আগে থেকেই ওয়েবসাইটে রয়েছে৷

ডয়চে ভেলের সাক্ষাৎকারে মন্ত্রী বলেন, ‘‘আমরা তালিকা আগেই প্রকাশ করে দিয়েছি৷ আমাদের ওয়েবসাইটে যে তালিকাটি আছে সেটাই আমাদের সমন্বিত তালিকা৷’’

তবে এটাকে চুড়ান্ত তালিকা বলতে না রাজ মুক্তিযুদ্ধ বিশ্লেষকরা। তারা বলেন, ওয়েবসাইটে যেটা আছে সেটা পূর্ণাঙ্গ তালিকা না৷ গত পাঁচ বছর ধরে যাচাই বাছাই করে পূর্ণাঙ্গ তালিকাটি প্রকাশ করার কথা ছিল৷ তারা বলছেন, নির্ভুল তালিকা প্রণয়নের দাবি দীর্ঘদিন ধরেই আমরা করে আসছি, কিন্তু আজও হয়নি৷ যদিও স্বাধীনতার পর বেশিরভাগ সময় স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি ক্ষমতায় ছিল না৷ পাশাপাশি সরকারি আমলাদের দায়িত্ব দেওয়ার কারণেই এটা বিলম্ব হচ্ছে৷ তাদের তো এর বাইরেও অনেক কাজ থাকে৷ আমলানির্ভর হওয়ার কারণে অতীতেও নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছে৷

২০২১ সালের ২৫ মার্চ মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতাসহ এক লাখ ৪৭ হাজার ৫৩৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রথম তালিকা প্রকাশ করেন, যেটিকে খসড়া তালিকা বলা হচ্ছে৷ তারপর যাচাই বাছাই শেষে মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এক লাখ ৭৭ হাজার ২০০ জন মুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে৷ আরও ৪০ হাজার আবেদন যাচাই বাছাই চলছে৷ এই যাচাই বাছাই ২৬ মার্চের মধ্যে শেষ করার কথা ছিল৷ জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) একজন সদস্য শনিবার ডয়চে ভেলের সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘‘২৬ মার্চ যে পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা যাবে না, সেটা আমরা আগেই বলেছি৷ কারণ অনেক জেলা থেকে ডিসিরা যাচাই বাছাইয়ের কাজ শেষ করে তালিকা আমাদের কাছে পাঠাননি৷ ফলে গত ৫ মার্চ জামুকার বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষের আগে এই চূড়ান্ত করা যায়নি৷

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে আগে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, তালিকা চূড়ান্ত হলে এবার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধার জন্য স্মার্ট কার্ডও দেবে মন্ত্রণালয়৷ তালিকার পাশাপাশি প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধার প্রোফাইল একটি সফটওয়্যারে সংরক্ষণ করা থাকবে৷ ২০১৭ সালের ২২ জানুয়ারি সপ্তমবারের মতো সারাদেশে মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের জন্য যাচাই বাছাই শুরু হয়৷ এরপর পাঁচ বছর কেটে গেলেও কাজ শেষ করা যায়নি৷

ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের সুবিধা দিতেই এই গড়িমসি

বর্তমানে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতা পাচ্ছেন। দুই ঈদে ১০ হাজার টাকা করে ২০ হাজার টাকা, পাঁচ হাজার টাকা বিজয় দিবসের ভাতা এবং দুই হাজার টাকা বাংলা নববর্ষ ভাতা পান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। বছরে একজন সব মিলিয়ে ভাতা পান প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এই সুবিধা দিতে ওপর মহল থেকে পেছানো হয়েছে এই তালিকা প্রকাশ। শুধু তাই নয় ঘোষনা ছাড়ায় ওয়েব সাইটে সর্বশেষ হাল-নাগাদ ৫ এপ্রিল ২০২২  প্রকাশ করা হয়েছে তা নিয়েও রয়েছে বিতর্ক। এমন ভাবে প্রকাশ করলে সেই ফাক ফোকড় থেকেই যায়।

ক্ষমতাবান যে কেউ এখন কারসাজি করে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় নাম লেখাতে পারছেন, এমন একটা অবস্থা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পুঁজি করে ব্যবসা করছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুম ও নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে যাচ্ছে। শুধু তাই নয় ক্ষমতাসীন দলের সংগঠন গুলো যেন হয়ে উঠছে এক একটি সন্ত্রাস বাহিনী। তাই তাদের দাবী, যাঁরা মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও প্রভাব খাটিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নাম অন্তর্ভুক্তির চেষ্টা করেন বা তালিকায় নাম ওঠান, তাঁদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

 

আরও পড়ুন:

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হতে গিয়ে ধরা অর্থমন্ত্রী!

আ ক ম মোজাম্মেল হকের মুক্তিযুদ্ধকালীন অপকর্ম

সম্পর্কিত সংবাদ

Home Post

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

মে ৪, ২০২৬
Home Post

শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

মে ২, ২০২৬
slide

হরমুজ প্রণালি কীভাবে ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রে পরিণত হয়েছে

এপ্রিল ২০, ২০২৬

Discussion about this post

জনপ্রিয় সংবাদ

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

    মে ৪, ২০২৬

    শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

    মে ২, ২০২৬

    হরমুজ প্রণালি কীভাবে ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রে পরিণত হয়েছে

    এপ্রিল ২০, ২০২৬

    বেলায়াত-এ-ফকিহ: অর্ধশতাব্দি ধরে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকার মূল শক্তি

    এপ্রিল ১৯, ২০২৬

    বাংলাদেশে নয়া ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি ও ইতালীয় দার্শনিকের বয়ান

    এপ্রিল ১৮, ২০২৬

    © Analysis BD

    No Result
    View All Result

    © Analysis BD