• যোগাযোগ
সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
Analysis BD
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে
No Result
View All Result
Analysis BD
No Result
View All Result
Home Home Post

বাংলাদেশের নয়, ভারত আ.লীগের বন্ধু

জানুয়ারি ২৫, ২০২০
in Home Post, slide, বিশেষ অ্যানালাইসিস
Share on FacebookShare on Twitter

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

স্বাধীনতার পর থেকেই ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ বাংলাদেশিদেরকে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করছে। স্বাধীনতার পর থেকে যারাই এদেশের ক্ষমতার মসনদে বসেছে তারাই সীমান্ত হত্যা নিয়ে কোনো শক্ত প্রতিবাদ করেনি। বরং নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখতে বিভিন্নভাবে ভারতকে তুষ্ট রাখার চেষ্টা করেছে।

দেখা গেছে আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখন সীমান্ত হত্যা বহু গুনে বেড়ে যায়। প্রতিবাদ করবে তো দূরের কথা সরকারের মন্ত্রীদেরকে উল্টো ভারতের পক্ষে অবস্থান নিয়ে কথা বলে। যার কারণে সীমান্ত দিন দিন বেড়েই চলেছে।

শেষ তিন বছরে সীমান্তে হত্যার সংখ্যা ধারাবাহিক ভাবে কমে যাওয়ার পরিসংখ্যান দেখিয়ে মন্ত্রী এই ধরনের হত্যা আরও কমে যাওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু, সে অনুযায়ী কাজ হয়নি। ২০১৮ সালে সীমান্তে নিহতের সংখ্যা তিন হলেও ২০১৯ এ তা বারোগুণ বেড়ে দাড়ায় ৩৪-এ। যদিও শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বেসরকারি সূত্র অনুযায়ী এই সংখ্যা আরও বেশি। আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং অধিকার এর সূত্র অনুযায়ী এই সংখ্যা যথাক্রমে ৪৬ এবং ৪১। অধিকার এর নথিপত্রে আরও দেখা যায় ২০১৯ সালে বিএসএফের হাতে অন্তত ৪০ জন বাংলাদেশি আহত হয়েছে এবং আরও ৩৪ জন অপহৃত হয়েছেন। আসক এর তথ্য অনুযায়ী ২০১৯ সালে বিএসএফের হাতে নিহত হয়েছে ৪৬ জনের মধ্যে ছয় জনকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে।

সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার ভোরে উত্তরাঞ্চলীয় জেলা নওগাঁর পোরশা উপজেলার একটি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ সদস্যদের গুলিতে তিনজন বাংলাদেশী নিহত হয়। একই দিন বেনাপোল সীমান্ত থেকে এক যুবককে ধরে নিয়ে তার ওপর অমানবিক নির্যাতন করেছে বিএসএফ। ঐ যুবক মারা যায়।

এর আগে গত বুধবার লালমনিরহাট জেলার একটি সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুইজন নিহত হয়। এনিয়ে গত তিন দিনে ভারতীয় বাহিনী ৬ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করেছে।

ভারতীয় বাহিনী প্রতিনিয়ত সীমান্তে যেসব হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে এগুলোকে এখন আর স্বাভাবিক ঘটনা বলা যায় না। তারা সীমান্ত চুক্তি লঙ্ঘন করে প্রতিদিন বাংলাদেশিদেরকে হত্যা করছে।

বিভিন্ন চুক্তিতে বলা আছে এবং নিয়ম আছে, কেউ অবৈধভাবে সীমান্তে গেলে তাকে ধরে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করবে এবং বিজিবি আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু দেখা গেছে, সেটা না করে বিএসএফ কোনো বাংলাদেশিকে দেখলেই গুলি করে হত্যা করছে। এমনকি সীমান্তবর্তী এলাকায় জমিতে কাজ করতে যাওয়া কৃষকদেরকেও প্রায় সময় ধরে নিয়ে তাদের ওপর অমানবিক নির্যাতন করে বিএসএস সদস্যরা। তারপর বলা হয় যে, তারা অনুপ্রবেশকারী ছিল। ঠুনকো অজুহাত দেখিয়ে তারা প্রতিদিন বাংলাদেশিদেরকে গুলি করে হত্যা করে যাচ্ছে।

ফেলানী হত্যার ফলে বাংলাদেশে এবং ভারতেরও কোনো কোনো মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে ফলাও করে প্রচার হয় ফেলানীর ঝুলন্ত দেহের ছবি। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ও ন্যায় বিচারের দাবি থাকলেও প্রধান আসামি বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষ এবং তার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বিএসএফের নিজস্ব আদালত জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টে নির্দোষ প্রমাণিত হন। রায় পুনর্বিবেচনা করেও একই আদালত সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন। ফেলানীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নির্দেশও আমলে নেওয়া হয়নি।

ভারতের এসব বক্তব্য এখন আর বিজিবিও মানতে পারছে না। বিজিবির অপারেশন বিভাগের পরিচালক লে: কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তারাও উদ্বিগ্ন। তবে এসব ঘটনার ব্যাপারে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয় বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেছেন, যখন আমরা বিএসএফকে প্রতিবাদ জানাই, তার জবাবে তারা আমাদেরকে জানায় যে, তারা আত্মরক্ষার্থে অর্থাৎ যখন আমাদের দেশের নাগরিকরা তাদেরকে আক্রমণ করে কেবল তখনই ননলিথাল উইপেন (প্রাণঘাতী নয়) ব্যবহার করে গুলি বর্ষণ করে। যেটা আসলে গ্রহণযোগ্য নয়।

কিন্তু লক্ষণীয় বিষয় হলো-এভাবে প্রতিদিন সীমান্ত বাংলাদেশিদেরকে গুলি করে হত্যা করার পরও বাংলাদেশ সরকার নিরব ভুমিকা পালন করছে। এসব হত্যাকান্ডের পরেও ক্ষমতাসীন সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিবাদ আসছনা। তারা বলছে-বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু। এই বন্ধুত্বে তারা কোনোভাবেই ফাটল ধরতে দেবে না।

দেখা যাচ্ছে, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভারতকে উজার করে বিভিন্ন সুবিধা দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু বিনিময়ে তিনি আনতে পারেন নি কিছুই। এমনকি ভারত অসন্তোষ্ট হবে এ আশঙ্কায় তিস্তা নিয়েও শেখ হাসিনা জোরালো কোনো ভূমিকাপালন করছে না।

দেখা যায়, স্বাধীনতার পর ভারত থেকে দল হিসেবে আওয়ামী লীগ অনেক সুবিধা পেয়েছে। এদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করে ভারত তাদেরকে বার বার ক্ষমতায় বসিয়েছে। এদেশের গণতন্ত্র ও জনগণের প্রতি ভারতের কোনো সম্মান ও শ্রদ্ধা নেই। এদেশের মানুষের সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্বের কোনো সম্পর্ক নেই। যত প্রেম প্রীতি-ভালবাসা আছে সবই আওয়ামী লীগের সঙ্গে।

তাই, আওয়ামী লীগ ছাড়া এদেশের মানুষ কখনো মনে করে না যে ভারত বাংলাদেশের বন্ধু। ভারতের বন্ধু আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশের জনগণ নয়। কারণ, বন্ধু কখনো এভাবে বন্ধুকে গুলি করে পাখির মতো হত্যা করতে পারে না।

এদিকে এই সুরে সুর মিলিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ভারতের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের ‘রক্তের রাখি বন্ধনে’ আবদ্ধ বাংলাদেশ। মুক্তিযুদ্ধে ভারতের যে সংহতি তা বাংলাদেশের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। মুক্তিযুদ্ধের পর দুই দেশের মধ্যে কখনো কখনো টানাপোড়েন থাকলেও, অবিশ্বাসের দেয়াল ভেঙে গেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ক্যারিশমেটিক নেতৃত্বে তা সম্ভব হয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ

Home Post

নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

আগস্ট ২৫, ২০২৬
Home Post

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

মে ৪, ২০২৬
Home Post

শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

মে ২, ২০২৬

জনপ্রিয় সংবাদ

  • নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • সিরাজ সিকদার খুন : ক্রসফায়ার প্রবর্তনের দিন

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • বাংলাদেশে নয়া ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি ও ইতালীয় দার্শনিকের বয়ান

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ভাষা আন্দোলন ও এর ঘটনা প্রবাহ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সাম্প্রতিক সংবাদ

নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

আগস্ট ২৫, ২০২৬

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

মে ৪, ২০২৬

শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

মে ২, ২০২৬

হরমুজ প্রণালি কীভাবে ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রে পরিণত হয়েছে

এপ্রিল ২০, ২০২৬

বেলায়াত-এ-ফকিহ: অর্ধশতাব্দি ধরে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকার মূল শক্তি

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
  • Privacy Policy

© Analysis BD

No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে

© Analysis BD