• যোগাযোগ
শুক্রবার, অক্টোবর ১৬, ২০২৬
Analysis BD
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে
No Result
View All Result
Analysis BD
No Result
View All Result
Home Home Post

আ.লীগে অস্থিরতা, বিরোধী নেতারা টেনশন ফ্রি!

ডিসেম্বর ১৮, ২০১৮
in Home Post, বিশেষ অ্যানালাইসিস, রাজনীতি
Share on FacebookShare on Twitter

বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের হুমকি-ধামকি দিয়ে, হামলা চালিয়ে ভোটের মাঠে দাঁড়াতেই দিচ্ছে না আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। পুলিশি হয়রানিও অব্যাহত রয়েছে। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আবারো নিশ্চিত ক্ষমতায় আসতে যাচ্ছে-এটা ধরে নিয়েই দলটির মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে উৎফুল্ল ভাব দেখা যাচ্ছে। কোথাও কোথাও ক্ষমতাসীন দলের লোকজন মিষ্টি বিতরণ করছে, কোথাও ছাগল জবাই করে খানাপিনা হচ্ছে উৎসবের আমেজে। কিন্তু মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীরা আনন্দ-ফূর্তিতে থাকলেও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের ঘুম হারাম। তারা খুবই উদ্বেগ ও অস্থিরতায় আছেন। কী হতে কী হয় এ নিয়ে তারা রয়েছেন মহাটেনশনে। যদিও মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের এটি তারা বুঝতে দিচ্ছেন না। অন্যদিকে একেবারেই ভিন্নচিত্র দেখা যাচ্ছে বিএনপি জোটের শীর্ষ নেতাদের মাঝে। ক্ষমতাসীনদের কর্মকা-ে ভোটকে সামনে রেখে সারাদেশের মানুষের মধ্যে একটি আতঙ্ক বিরাজ করছে। পরিস্থিতি দেখে সাধারণ মানুষ মনে করছে, ক্ষমতাসীনরা জবরদখল করে নিজেদের পক্ষেই জয় ছিনিয়ে নেবে। আদৌ ভোট হবে কি না তা নিয়েও সংশয় ও উদ্বেগ রয়েছে। বিএনপি জোটের মাঠ পর্যায়ের অনেক নেতাকর্মীর মাঝেও এই শঙ্কায় হা-হুতাশ আছে। মাঠপর্যায়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের দাঁড়াতেই দেয়া হচ্ছে না, হামলা, ধরপাকড়ে অনেকটা দিশেহারা ভাব। কেন্দ্রীয় নেতাদের ফোন দিয়ে কী হচ্ছে, কী করণীয় এসব বিষয়ে জানতে চাচ্ছে। কিন্তু এতো কিছুর পরেও বিরোধীজোটের শীর্ষ নেতাদের মাঝে কোনো উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠা নেই। রহস্যজনকভাবে তারা অনেকটা ভাবলেশহীন বা টেনশন ফ্রি অবস্থায় রয়েছেন।তাদের মাঝে কোনো অস্থিরতা নেই। মনে হয় তারা কোনো একটি হিসাব কষে বসে আছেন। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।

তাদের ওপর একের পর এক হামলা হলেও, প্রার্থীসহ নেতাকর্মীদের প্রচারণা চালাতে বাধা দিলেও খুব একটা উদ্বেগ বিরোধী জোটের নেতাদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে না। আবার পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ কেনোভাবে ক্ষমতায় গেলে যে তাদের অবস্থা খারাপ হবে সেটিও তারা উড়িয়ে দিচ্ছেন না। কিন্তু এমন অবস্থায়ও তারা একটি রহস্যজনক নির্লিপ্ততার মধ্যে রয়েছে।

তাদের এই রহস্যজনক নির্লিপ্ততার কারণ কী? এই কারণ খুঁজতে গিয়ে গোয়েন্দাসংস্থাগুলো বিরোধীজোটের কিছু পরিকল্পনার কথা জানতে পেরেছে। সূত্রগুলো বলছে, মূলত বিরোধী জোট একটি বড় পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। স্মরণকালের একটি ভয়াবহ সংঘাতও তাতে হয়ে যেতে পারে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইতিমধ্যে বিরোধীজোটের নেতাকর্মীদের গণহারে গ্রেপ্তার চালিয়ে যাচ্ছে। ভোটের আগে আরো অন্তত আড়াই লাখ রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তারে তালিকা তৈরি করেছে বলে সূত্রে খবর প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু পুলিশের এই তালিকার বাইরেও বিরোধী জোটের একটি বড় শক্তি রয়ে গেছে। যে শক্তি ভোটের ২/৩ দিন আগ থেকে ব্যবহার করা হবে এবং পুরো পরিস্থিতি তারা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেবে। সেই ক্ষমতা তাদের রয়েছে। ২০ ডিসেম্বরের পরেও যে কোনো সময় সেই শক্তি ব্যবহার শুরু হতে পারে। মূলত ২০১৫ সালের পর থেকে বিএনপি জোট কোনো আন্দোলনে যায়নি। শক্তি ক্ষয় না করে তারা এতোদিন ধরে শুধু সঞ্চয় করেছে। সেই সঙ্গে শক্তি বৃদ্ধিও পেয়েছে। এসব শক্তি সঞ্চয় করা হয়েছিলো জাতীয় নির্বাচনের জন্যই। আর সেই শক্তি নিয়েই বিএনপি জোট যে কোনো সময় অপ্রতিরোধ্য গতিতে মাঠে নামবে। ১৫ ডিসেম্বর ঐক্যফ্রন্টের প্রথম রোডমার্চে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেছেন, ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঘরে ঘুমানোর দরকার নেই। মার খেলেও জবাব না দেওয়ার জন্য বলেন তিনি। সব জবাব ৩০ ডিসেম্বর দেওয়া হবে উল্লেখ করে বলেন, ‘এমন জবাব দেব যে আওয়াজও করতে পারবে না।’

‘আওয়ামী লীগের আয়ু আর মাত্র ১৫-১৬ দিন’

১৪ ডিসেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ক্ষমতাসীনদের সতর্ক করে দিয়ে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন বলেছেন, “সরকার ক্ষমতায় আছে ১৫-১৬ দিন। তাদেরকে বলব, বে আইনি আদেশ দেওয়া বন্ধ করুন, আপনারা আইন মেনে চলুন। সরকার আইনের ঊর্ধ্বে না। জেনে রাখো এই দেশে কোনো সরকার আইনের ঊর্ধ্বে না।” তিনি বলেন, “লজ্জা পাও, লজ্জা পাও, লজ্জা পাও। লজ্জা পেয়ে মুখটা দেখিও না, মুখটা একটু ঢেকে এদিক ওদিকে থেকে ১০-১৫ দিন কাটিয়ে দাও। তোমাদের মুখ দেখব না, যারা এসব অন্যায় কাজ করছে। অবিলম্বে তা বন্ধ কর। ১৫-১৬ দিন আছ, চেষ্টা করো ভালো থাকতে। তারপরে শুক্রবার সকালে মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়ে ফেরার সময় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের গাড়িবহরে হামলার পর ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

ওই হামলার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন তিনি। ‘বে আইনি’ আদেশ পালন থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে কামাল হোসেন বলেন, “আমি পুলিশ একাডেমিতে বহু লেকচার দিয়েছি, বে আইনি আদেশ মানা একদম নিষেধ। বে আইনি আাদেশ মানবে না- এটা পুলিশরা জেনে রাখ। যারা বে আইনি আদেশ দিচ্ছে এরা চিরস্থায়ী কেউ নয়। ভুলে যেও না। তোমরা তো ৫০-৫৫ বছর বয়স পর্যন্ত কাজ করবে আশা কর। এটা মনে রেখে আজকে যে বা যাহারা আদেশ দেয় তোমাদের এটা সাংবিধানিক কর্তব্য সেই আদেশ আইনানুগ কি না। যদি কোনো লোক আইন ভঙ্গ করছে না, তাকে অ্যারেস্ট করা এটা সংবিধান ভঙ্গ করা। তোমাদের শুভাকাক্সক্ষী হিসেবে বলছি- তোমরা সংবিধান ভঙ্গ করার অপরাধ করিও না।” সরকারে থেকে যারা ‘বে আইনি আদেশ দিচ্ছে’ তাদের দেশের মানুষ চিহ্নিত করে আগামীতে বিচার করবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন ড. কামাল।

১৫ ডিসেম্বর শনিবার ঢাকা থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা রোডমার্চ করেন। টঙ্গীতে রোডমার্চের প্রথম পথসভায় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা আ স ম আবদুর রব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন। নির্বাচন বন্ধ করার সুযোগ খুঁজছেন। তিনি নির্বাচন থেকে পালিয়ে যেতে চান।’ ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় এলে প্রধানমন্ত্রীকে নিরাপত্তা দেওয়ার নিশ্চয়তা দেন তিনি। এমনকি প্রধানমন্ত্রী বিদেশে যেতে চাইলেও দেওয়া হবে বলে জানান। রব বলেন, বিরোধী দলকে নিয়েই তারা রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন।

সূত্র: শীর্ষকাগজ

সম্পর্কিত সংবাদ

Home Post

নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

আগস্ট ২৫, ২০২৬
Home Post

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

মে ৪, ২০২৬
Home Post

শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

মে ২, ২০২৬

জনপ্রিয় সংবাদ

  • Trademark Web based poker Crazy Expensive diamonds Gambling enterprise Video slot Genuine Imitation Financial

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • বাংলাদেশে নয়া ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি ও ইতালীয় দার্শনিকের বয়ান

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • সিরাজ সিকদার খুন : ক্রসফায়ার প্রবর্তনের দিন

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • বেলায়াত-এ-ফকিহ: অর্ধশতাব্দি ধরে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকার মূল শক্তি

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • বসুন্ধরার মালিকের পরিবারে চাঞ্চল্যকর যত খুন

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সাম্প্রতিক সংবাদ

নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

আগস্ট ২৫, ২০২৬

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচন ছিল একেবারে অন্যরকম

মে ৪, ২০২৬

শিল্প বিপ্লব ও পাশ্চাত্য সভ্যতা: শ্রমিক শোষণের উপনিবেশিক ধারাবাহিকতা

মে ২, ২০২৬

হরমুজ প্রণালি কীভাবে ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রে পরিণত হয়েছে

এপ্রিল ২০, ২০২৬

বেলায়াত-এ-ফকিহ: অর্ধশতাব্দি ধরে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকার মূল শক্তি

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
  • Privacy Policy

© Analysis BD

No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • বিশেষ অ্যানালাইসিস
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • কলাম
  • ব্লগ থেকে

© Analysis BD